Thursday, 30 June 2016

সন্দেহ জনক কিছু দেখতে পেলেই লোকাল থানার নজরে আনুন..!!

✺►সাবধান,ওরা আমাদের প্রিয় ভারত কে নষ্ট করার প্ল্যান করেছে,সন্দেহ জনক কিছু দেখতে পেলেই লোকাল থানার নজরে আনুন..!! ✺►আজ ১১ জন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে এনআইএ। মিলেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর, সিরিয়া থেকে আইএস নেতারা এদের সরাসরি নির্দেশ দিত। আইএস-এর মদতে এই ১১ জন আজ ভোর ৫টা নাগাদ হায়দরাবাদে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে। এদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, বিস্ফোরক এবং নগদ ১৫ লক্ষ টাকা। সূত্রের খবর, ভারতের নানা প্রান্তে নাশকতা ঘটানোর উদ্দেশ্যে হায়দরাবাদের এই ঘাঁটিতে অস্ত্র, গোলা-বারুদ মজুত করা হচ্ছিল। জানা গেছে, ধৃত ১১ জনই মুসলিম তরুণ। সিরিয়ার আইএস হ্যান্ডলারদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেখান থেকেই অর্থের যোগান পাচ্ছিল তারা। ✺সূত্র → এবিপি আনন্দ....!

এনএসজি-তে ভারত বিরোধিতা করতে গিয়ে,হিসেবে কষে দেখা যাচ্ছে, লাভের থেকে ক্ষতির পরিমানই বেশি চীনের।


●►এনএসজি-তে ভারত বিরোধিতা করতে গিয়ে,হিসেবে কষে দেখা যাচ্ছে, লাভের থেকে ক্ষতির পরিমানই বেশি চীনের। ●►এনএসজি-তে ভারতের অন্তর্ভুক্তি আপাতত আটকানো গেছে ঠিকই।কিন্তু আন্তর্জাতিক বিশ্বে কার্যত একঘরে হয়ে পড়েছে চিন। লাভ লোকসানের ব্যালান্স শিট খুলে তারা দেখছে, পাশে রয়েছে শুধু ভবিষ্যৎহীন পাকিস্তান, এনএসজি-র মঞ্চে তাদের ভারতবিরোধী তীব্র গোঁয়ার্তুমি অন্য কোনও রাষ্ট্রই ভাল চোখে দেখেনি। তাই তাদের পক্ষে যথেষ্ট আন্তর্জাতির সমর্থন জোটাতে না পারায় এনএসজি-তে তাদের হয়ে মুখ্য আলোচনাকারী ওয়াং কুনকে ধমক দিল বেজিং। এই কুন যে সে কেউ নন, চিনের আর্মস কন্ট্রোল ডিভিশনের ডিরেক্টর জেনারেল পদে রয়েছেন ইনি। ●►জানা যাচ্ছে, ওয়াং কুন বেজিংকে আশ্বাস দিয়েছিলেন, চিনের পক্ষে অন্তত এক তৃতীয়াংশ এনএসজি সদস্য দেশের সমর্থন জোটাবেন তিনি। বেজিংয়েরও ভরসা ছিল, তাদের সুপারপাওয়ার স্ট্যাটাসকে মাথায় রেখে অন্তত ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র সমর্থন জোগাবে তাদের। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল ঘটেছে ঠিক উল্টোটা। ৪৮ সদস্য দেশের ৪৪টিই ভারতের পক্ষে রয়েছে, চিনকে সমর্থন করেছে মাত্র ৪টি রাষ্ট্র। বেজিংয়ের এখন ভয়, দক্ষিণ চিন সাগরে তাদের দখলদারিকে চ্যালেঞ্জ করে হেগের পার্মানেন্ট কোর্ট অফ আরবিট্রেশনে ফিলিপিনস যে মামলা করেছে, এনএসজি-তে চিনা বিরোধী অবস্থান তাতে প্রভাব ফেলবে কিনা। ওই মামলায় হারতে পারে বেজিং। তাদের আশঙ্কা, তারা যেভাবে এনএসজি-তে ভারতের অন্তর্ভুক্তি আটকেছে, ভারতও না সেভাবেই আন্তর্জাতিক আদালতের রায় সমর্থন করে তাদের বিপাকে ফেলে। ফলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বেজিং আরও এক ঘরে হয়ে তো পড়বেই, ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন অন দ্য ল অফ দ্য সি থেকে তাদের বারও করে দেওয়া হতে পারে। ফলে ফিলিপিনস-এর হাতে দক্ষিণ চিন সাগরের দখল ছাড়তে তো হবেই, বিশ্বে মুখও পুড়বে তাদের। #এবিপি-আনন্দ....

হায়দ্রাবাদে মন্দিরে গোমাংস রেখে দাঙ্গার ছক 11 শান্তির দূতের,বুদ্ধিGB'রা চুপ,কারন ওরা ধর্মে মুসলিম|

হায়দ্রাবাদে মন্দিরে গোমাংস রেখে দাঙ্গার ছক 11 শান্তির দূতের,বুদ্ধিGB'রা চুপ,কারন ওরা ধর্মে মুসলিম|

Tuesday, 28 June 2016

C-5 galaxy

                                                                    ★★C-5 galaxy★★

. C-5 Galaxy হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরী military transport aircraft. এটির দ্বারা যুদ্ধকালীন সময়ে ট্যাংক, যুদ্ধবিমানসহ অন্যান্য মিলিয়ারি সরন্জাম জরুরি অবস্থায়, এক সাথে থেকে অন্য স্থানে সরাসরি মোতায়োন করা যায়। ১৯৬৮ সালে প্রথম এটি সার্ভিসে আসে। বর্তমানে একমাত্র আমেরিকাই এটি ব্যবহার করছে। এটির বিভিন্ন ভার্সন রয়েছে। তবে এর মধ্যে C-5B এর প্রতি ইউনিটের মূল্য প্রায় ২৬২.৭২ মিলিয়ন ডলার।

আজ থেকেই ভারত -" মিসাইল টেকনোলোজি কনট্রোল রেজিম " অর্থাত্ MTCR এর পূর্ন সদস্য হল

আজ থেকেই ভারত -" মিসাইল টেকনোলোজি কনট্রোল রেজিম " অর্থাত্ MTCR এর পূর্ন সদস্য হল ।ভারত এই গ্রুপের 35 তম সদস্য,বড় দেশ গুলি যেমন আমেরিকা,রাশিয়া,ফ্রান্স,ব্রিটেন,দক্ষিন কোরীয়া,জাপান এই MTCR এর সদস্য হলেও ,এখনও অবদি চীন এই এলিট গ্রুপে ঢুকতে পারে নি ।ভারত গতবছরই এই MTCR এ ঢোকার বন্দবস্ত করে ফেলেছিল,তবে ইতালির কারনে ঢুকতে পারে নি তবে এই বছর আর ইতালি কোন সমস্যা সৃস্টি করে নি।অবশ্য MTCR এ ঢুকে ,ভারত চীনের চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে , ভারতের এর পরের টার্গেট NSG এর পূর্ন সদস্য হওয়া এবং ভারতকে আটকানো অসম্ভব । ---------- MTCR এর সদস্য হয়ে ,ভারত কাছে আন্তজাতিক উন্নত মিসাইল , ড্রোন এর রাস্তা পরিস্কার হয়ে গেল এবং ভারতীয় মিসাইল টেকনোলোজির সক্ষমতাও বৃদ্ধি পেল ।এর ফলে ভারতের ব্যালেস্টিক মিসাইল প্রোগ্রাম গুলি আর কিছু লুকিয়ে করতে হবে না ।ভারত ,রাশিয়া,ফ্রান্স,আমেরিকার সাথে বিভিন্ন লংরেঞ্জ উচ্চ প্রযুক্তির যৌথ উদ্দগে মিসাইল , কমবেট ড্রোন বানানোর প্রযুক্তি লাভ করতে পারে ।তাই ভবিষত্ এ BRAHMOS-2 এর রেঞ্জ যদি 1000 km ও হয় ,তাতে আশ্চর্যের কিছু থাকবে না। ‪

Monday, 27 June 2016

ইন্ডিয়ান স্ট্রাটেজিক ফোর্সেস কম্যান্ড

ইন্ডিয়ান স্ট্রাটেজিক ফোর্সেস কম্যান্ড ভারতের স্ট্রাটেজিক ফোর্সেস কম্যান্ড বা স্ট্রাটেজিক নিউক্লিয়ার কম্যান্ড দেশের নিউক্লিয়ার কম্যান্ড অথরিটির (এনসিএ) একটি অংশ। ভবিষ্যতের জন্য রক্ষিত দেশের পরমাণু অস্ত্রসম্ভারের সুপরিকল্পিত কৌশলগত ব্যবহারের দায়িত্ব এই সংস্থার উপর অর্পিত। ২০০৩ সালের ৪ জানুয়ারি এই সংস্থা স্থাপিত হয়। স্ট্রাটেজিক ফোর্সেস কম্যান্ডের কাজ হল এয়ার মার্শাল কোনো কম্যান্ডার ইন চিফ বা সমতুল পদাধীকারীর অধীনে এনসিএ-র নির্দেশাবলি কার্যকর করা। এনসিএ-র প্রত্যক্ষ আদেশ পাওয়ার পর পরমাণু অস্ত্র ও ওয়ারহেড সরবরাহ প্রক্রিয়া শুরু করা এই সংস্থার একক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। নিশানা এলাকার সঠিক নির্বাচন করার জন্য এই সংস্থা একটি বিভক্ত, সমন্বয়মূলক প্রক্রিয়া গ্রহণ করে যার সিদ্ধান্তগ্রহণের স্তর ভিন্ন ভিন্ন হয় এবং যা এনসিএ-এর নিয়মতান্ত্রিক আদেশাধীনে থাকে। স্ট্রাটেজিক ফোর্সেস কম্যান্ড পরমাণু অস্ত্রসম্ভারের উপর সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব ও অধিকারের মাধ্যমে সমস্ত রণকৌশলগত শক্তিসমূহকে ব্যবস্থাপিত ও নিয়ন্ত্রিত করে। এই কাজের জন্য সমস্ত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তারাই করে থাকে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই স্ট্রাটেজিক ফোর্সেস কম্যান্ডের “কম্যান্ড, কন্ট্রোল অ্যান্ড কমিউনিকেশন” ব্যবস্থা সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত এবং কম্যান্ডের কার্যকরী দ্রুত সাধনযোগ্যতার মাত্রা অত্যন্ত বেশি। ‪

গোলকিপার

গোলকিপার নেদারল্যান্ডের তৈরি এই CIWS ১৯৭০ সালে তৈরি করা হলেও এখনো সার্ভিসে আছে।এটা সম্পূর্ন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা।হাইলি ম্যানুভেরাবল মিসাইল,বিমান এবং দ্রুতগতির বোট ধ্বংস করতে পারে।এটা এক্টিভেট করলে বাকি কাজ একাই করতে পারে।ডিটেক্টশন থেকে শুরু করে টার্গেট ধ্বংস করা সবকিছু স্বয়ংক্রিয়ভাবে করকে পারে।এমনকি বেশি বিপদজনক টার্গেটকে আগে ধ্বংস করতে পারবে। এটি ৩০ মিঃমিঃ এর এ্যাভেনজার গান।এই একই গানটি মার্কিন এ ১০ বিমানে ব্যবহৃত হচ্ছে।ম্যাক ২ গতিবেগের মিসাইলকে ডিটেক্টশন থেকে শুরু করে ধ্বংস করতে এর সময় লাগে মাত্র ৫.৫ সেকেন্ড!! রেঞ্জ সর্বোচ্চ ২ কিঃমিঃ।প্রতি সেকেন্ডে ফায়ার করতে পারে ৭০ রাউন্ড বুলেট।

বোয়িং ৭৩৭

বিমানটি একটি বোয়িং ৭৩৭, কিন্তু ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন এটি কোন সাধারণ বিমান নয় কারণ এর কিছু বাড়তি এবং অদ্ভুত দর্শন অঙ্গ রয়েছে। এটি হচ্ছে লকহিড মার্টিনের মালিকানাধীন 'ক্যাটবার্ড' এবং এই বিমানটি বহুল আলোচিত এফ-৩৫ বিমানের সফটওয়্যার ও এভিওনিক্স পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয়। এফ-৩৫ এর প্রোটোটাইপে প্রথমবারের মতো এসব পরীক্ষা করলে দুঃর্ঘটনার ব্যাপক সম্ভাবনা থাকে যার ফলে অর্থের সাথে সাথে অভিজ্ঞ পাইলটের জীবনের ওপরও ঝুঁকি থাকে। তাই এই বিমানটিতেই প্রথমে এভিওনিক্স ও সফটওয়্যার পরীক্ষা করে পরবর্তীতে তা প্রোটোটাইপে সংযোজন করা হয় যাতে অর্থ ও জীবন দুটোরই সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়.....

আপনি কি জানেন ?

আপনি কি জানেন ? ফ্রান্সের আজ অবধি তৈরি সর্বাধুনিক ফাইটার জেট Dassault Rafale একটি "Multinational/বহুজাতিক" প্রজেক্ট হবার কথা ছিল।ফ্রান্স যখন Euro Fighter প্রজেক্ট থেকে বেরিয়ে যায় তখন তারা নিজেদের নের্তৃত্বে Rafale প্রজেক্ট চালানোর মনস্থির করে যেই প্রজেক্টে আরো অনেক গুলো দেশ সরাসরি যুক্ত থাকবে।এ লক্ষ্যে ফ্রান্স সরকার বেলজিয়াম,ডেনমার্ক,নেদারল্যান্ডস এবং নরওয়ে এর সাথে আলোচনা চালাতে থাকে।তবে বার্লিন প্রচীরের পতন ঘটলে,২ জার্মানি যখন আবার একত্রিত হয়ে যায় ঐসময় বিশ্ববাসী Cold War শেষ হয়ে যাওয়ার একটা সংকেত পায়।তখন ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ তাদের প্রতিরক্ষা খরচ একেবারেই কমিয়ে দেয়।আর তাই উক্ত দেশগুলো ফ্রেঞ্চ Rafale প্রজেক্টে যোগ দিতেও আগ্রহ হারিয়ে ফেলে । ফলস্বরূপ, ফ্রান্স একা একাই Rafale প্রজেক্ট টা চালিয়ে যায় আর সফলভাবেই তৈরি করে ফেলে Dassault Rafale

আপনি কি জানতেন??

আপনি কি জানতেন?? সুইজারল্যান্ডেরসামরিক বাহিনী যদি মনে করে কোন দেশ নিশ্চিতভাবে তাদের আক্রমন করবে তখন তারা দেশের সকল সড়ক আর সেতু নিজেরাই উড়িয়ে দিবে!!

এনএসজির সদস্যপদ নিয়ে এখনও নিশ্চিত না হলেও এবার MTCR-এর সদস্য হতে চলেছে ভারত।

এনএসজির সদস্যপদ নিয়ে এখনও নিশ্চিত না হলেও এবার MTCR-এর সদস্য হতে চলেছে ভারত। সোমবারই দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে Missile Technology Control Regime (MTCR)-এ যুক্ত হবে। বিদেশ সচিব এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ফ্রান্স, নেদারল্যান্ড সহ একাধিক দেশের প্রতিনিধিরা। MTCR-এর সদস্য হওয়ার জন্য বেশ কিছুদিন ধরেই আমেরিকার সঙ্গে কথাবার্তা চলছিল ভারতের। ২০০৮-এর ভারত-আমেরিকা নিউক্লিয়ার ডিলের পর থেকেই এবিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল। MTCR, NSG, Australia Group ও Wassenaar Arrangement এই চার এক্সপোর্ট কন্ট্রোলের সদস্য হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছিল ভারত। ২০১৫ তে MTCR -এর সদস্য হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। আমেরিকা পূর্ণ সমর্থন জানানোর পরই এটা সম্ভব হয়। MTCR বা “মিসাইল টেকনোলজি কন্ট্রোল রেজিম” হলো ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ৩৪টি দেশের এমন একটি সংস্থা যারা ব্যালেস্টিক মিসাইল বা অন্য যে কোনও পরমাণু, কেমিক্যাল, বাইলোজিক্যাল অস্ত্র বহনকারী মিসাইল প্রযুক্তিকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে সম্প্রসারিত হতে বাধা দেয়। ৩৪টি সদস্য দেশের সর্বসম্মতিক্রমেভারত এই গ্রুপে প্রবেশ করল। MTCR গ্রুপে যোগদানের ফলে ভারতের নিউক্লিয়ার সাপ্লাই গ্রুপ বা NSG তে প্রবেশের পথ আরও পরিষ্কার হয়ে গেল। MTCR গ্রুপের সদস্য হওয়ার ফলে ভবিষ্যতে ভারত সহজেই অত্যাধুনিক মিসাইল প্রযুক্তি কিনতে পারবে ও যে কোন বন্ধু রাষ্ট্রকে নিজের মিসাইল বিক্রি করতে পারবে। এছাড়া ভারত ও রাশিয়া যৌথভাবে বানানো বিশ্বের সবথেকে দ্রুতগতি সম্পন্ন ক্রুজ মিসাইল “ব্রহ্মোস‌” মাত্র ৩০০ কিমি রেঞ্জের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল কারণ ভারত MTCR গ্রুপের সদস্য দেশ ছিল না। কিন্তু এখন উভয় দেশই এই গ্রুপের সদস্য হওয়ায় ব্রহ্মোস মিসাইলটির রেঞ্জ বৃদ্ধি করতে ভারত রাশিয়ার সামনে আর কোন আন্তর্জাতিক বাধা নিষেধ থাকলো না। সূত্র : কলকাতা 24*7

সুখোইয়ে যুক্ত হল সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস।

ইতিহাসের পাতায় পাকাপাকি জায়গা করে নিল ভারতীয় বায়ুসেনা। ৪০টি ফ্রন্টলাইন ফাইটার জেট সুখোইয়ে যুক্ত হল সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস। হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেডের (হ্যাল) চেয়ারম্যান টি এস রাজু শনিবার জানিয়েছেন, মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের সর্বাধুনিক ও সফলতম উদাহরণ হল এই সংযুক্তিকরণ। এর ফলে সুখোই হয়ে উঠল আরও ধ্বংসাত্মক ও খুনে। এবার মূলত ‘টেস্ট রান’ হলেও অদূর ভবিষ্যতে যুদ্ধক্ষেত্রে এই ব্রহ্মস মিসাইল যুক্ত সুখোই থেকেই শত্রুকে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হবে। দেশের উড়ানের ইতিহাসে শনিবারের ঘটনা নয়া নজির গড়ল বলে দাবি করেছেন টি এস রাজু। তাঁর বক্তব্য, দেশের প্রথম সারির সবকটি সংস্থা এই কাজে এগিয়ে এসেছিল। হ্যালের নাসিক ডিভিশন এই কাজে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিল। সুখোই থেকে ব্রহ্মস ছোড়ার তোড়জোর বেশ কিছু দিন আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। ভারত-রুশ যৌথ উদ্যোগে তৈরি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের বেগের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি জোরে ছোটে। লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানে। পৃথিবীতে এত দ্রুতগামী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আর একটিও নেই। ব্রহ্মসের পাল্লাও অন্যান্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে অনেক বেশি। ন্যাটো বাহিনীর হাতে থাকা হেলফায়ার বা ইজরায়েলের স্কাড ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী ভারতের ব্রহ্মস। এত ভারী এবং এত বড় পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পৃথিবীর কোনও বিমানবাহিনী আজ পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেনি। ফাইটার থেকে যে সব ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, সেগুলি ছোট এবং কম পাল্লার। ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এমকেআই ফাইটার জেট শনিবার টেস্ট রেঞ্জে ব্রহ্মস নিয়ে আকাশে উড়েছে। রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা ডাবল ইঞ্জিন মাল্টি-রোল ফাইটার জেট সুখোই-৩০ এমকেআই ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বিশ্বের সেরা যুদ্ধবিমানগুলিরঅন্যতম এই ফাইটার। পাকিস্তান তো বটেই, চিনই ভারতের সুখোই স্কোয়াড্রনকে সমীহের চোখে দেখে। এবার ব্রহ্মস নিয়ে সফল ভাবে আকাশে ওড়ার পর সেই সুখোই আরও অপ্রতিরোধ্য হল বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। সূত্র : প্রতিদিন

J & K NEWS

জম্মু কাশ্মীরে হাই এলার্ট এলাকা গুলিতে পেট্রোলিং এর জন্য সেনা ,অন্তত হাফ ডজন হাইলি আর্মড MPV মোতায়েন করল ।এবং ঐ সব এলাকা গুলিতে আর্মির সাধারন পরিবহন যানবাহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।কদিন আগে জঙ্গীদের অতর্কিত ব্রাস ফায়ারিং এ শহীদ হন বেশ কিছু CRPF জাওয়ান ,তাই এই ব্যাবস্থা ।হোম মিনিস্টার রাজনাথ সিংহ এই ঘটনাকে পাকিস্থানের নিকৃস্ট কাজ বলে উল্লেখ করেছেন ,এবং ইটের জবাব পাটকেলে দেওয়া হবে ,তাও জানিয়ে দিয়েছেন।বর্তমানে সুরক্ষার কাজে 60 ব্যাটেলিয়ন আর্মি জম্মুকাশ্মীরে মোতায়েন আছে ,প্রত্যক ব্যাটেলিয়নে 1000 জন জওয়ান।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ যুদ্ধ জাহাজ এখন মার্কিন নৌবাহিনীরঃ-

                                            বিশ্বের সর্ববৃহৎ যুদ্ধ জাহাজ এখন মার্কিন নৌবাহিনীরঃ-
মার্কিন নৌবাহিনী বিশ্বের সর্ব বৃহৎ যুদ্ধজাহাজ সংযুক্ত করতে যাচ্ছে। ‘জুমওয়াল্ট’ নামের এদৈত্যাকার যুদ্ধ জাহাজ আধুনিক সব প্রযুক্তি দিয়ে বানানো হয়েছে যা পানি পথে শত্রুর যেকোন জাহাজ ধ্বংস করতে সমর্থ হবে।ক্যাপ্টেন জেমস ক্রিক বলেন, ‘৬১০ ফুটের এ জাহাজের জন্য নাবিকদের পোশাক, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আনা হচ্ছে।’দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর নতুন প্রযুক্তির এ যুদ্ধ জাহাজ এসপ্তাহেই মার্কিন নৌবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছে। ১৯৮৯ সালে কেনেবিক নদীতে এ জাহাজ তৈরীর কাজ শুরু হয়। ইলেকট্রিশিয়ান জন উপহাম বলেন, ‘আমরা অনেক বাঁধা পেড়িয়ে এ কাজ সম্পন্ন করতে সমর্থ হয়েছি। আমি মনে করি আমরা যা করেছি তার জন্য সবাই গর্ববোধ করছি।’জুমওয়াল্টের বিশেষ বৈশিষ্ট্যর মধ্যে যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো অন্য যুদ্ধ জাহাজের তুলনায় এ জাহাজকে রাডারের খুঁজে পেতে ৫০ গুণ বেশি কষ্ট হবে এবং ১শ মাইল দূরত্বেশত্রুকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রয়েছে এ যুদ্ধ জাহাজের। বোয়িং ৭৭৭ বিমানে যেভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় ঠিক সেভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে এ যুদ্ধ জাহাজে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে বর্তমান যুদ্ধ জাহাজের চেয়েও কম সংখ্যক ক্রু লাগবে এ জাহাজ পরিচালনা করতে।জুমওয়াল্ট নির্মাণে খরচ হয়েছে আনুমানিক ৪.৪ বিলিয়ন ডলার।

আমেরিকা থেকে আলট্রা লাইট হাউইত্জার কেনায় সবুজ সঙ্কেত প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

  ★৫ হাজার কোটি টাকায় আমেরিকা থেকে আলট্রা লাইট হাউইত্জার কেনায় সবুজ সঙ্কেত প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের★
  . . আমেরিকা থেকে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা অর্থমূল্যের ১৪৫ আলট্রা লাইট হাউইত্জার কেনার ব্যাপারে সবুজ সঙ্কেত দিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। বহুদিন ধরে এগুলি কেনার বিষয়টি ঝুলে ছিল। দেরি হচ্ছিল। পাশাপাশি ১৮ ধনুশ আর্টিলারি গান উত্পাদনেও সম্মতি মিলেছে তাদের। বলা হচ্ছে, বফর্স কেলেঙ্কারির পর থেকে গত তিন দশকে এই প্রথম এ জাতীয় অস্ত্র সিস্টেম জোগাড় করার পথে পা রাখছে সেনাবাহিনী। . প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পর্রীকরের নেতৃ্ত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাক্যুউজিশন কাউন্সিল (ডিএসি)-এর বৈঠকে ২৮ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন নতুন স্কিম সমেত ১৮টি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই হাউইত্জার সিস্টেম নিয়ে আসার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছয় সেনা কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ১৩৬০০ কোটি টাকায় ‘বাই ইন্ডিয়ান’ তালিকায় ৬টি পরবর্তী প্রজন্মের মিসাইল ভেসেল তৈরির প্রস্তাবও প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পেয়েছে। এর ফলে এবার এ ব্যাপারে টেন্ডার দিতে পারবে নৌবাহিনী। . প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জনৈক অফিসার বলেন, বিদেশি মিলিটারি সেলস (এফএমএস) রুটে আমেরিকা থেকে ১৪৫ আলট্রা লাইট হাউইত্জার আনার প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে ডিএসি। এই অস্ত্রের ডেলিভারি দেওয়া হবে ভারতের মাটিতেই। ফলে সেগুলি নিয়ে আসার খরচ বাঁচানোয় সুবিধা হবে। তাছাড়া ২৫ কিমি দূরত্ব পর্যন্ত আঘাত হানার ক্ষমতাসম্পন্ন হাউইত্জার সরবরাহের সময়সীমাও কমিয়ে দিয়েছে ডিএসি। চিন সীমান্ত সংলগ্ন অরুণাচল প্রদেশ ও লাদাখের উঁচু জায়গাগুলিতে বসানো হবে এই কামানগুলি। . দশ বছর আগে বিএই সিস্টেমস থেকে এগুলি প্রথম কেনার কথা উঠেছিল। প্রতিরক্ষা কর্তাটি জানান, এজন্য আগ্রহ প্রকাশ করে মার্কিন সরকারকে অনুরোধ পত্র পাঠায় ভারত। জবাবে অনুরোধ গ্রহণপত্র (এলওএ) পাঠিয়েছে আমেরিকা। এবার সেটি আমেরিকায় ফেরত পাঠানো হবে। সেইসঙ্গে প্রথম কিস্তির অর্থ দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হবে। এগুলি তৈরি করবে বিএই সিস্টেমস। তারা বিনিয়োগ করবে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২৫টি হাউইত্জার উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় তৈরি করে ভারতে আগে পাঠানো হবে। বাকিগুলি এ দেশেই মালপত্র, যন্ত্রাংশ নিয়ে এসে নির্দিষ্ট ঘাঁটিতে সংযুক্ত করে প্রস্তুত করা হবে। . বিএই সিস্টেমস এক বিবৃতিতে বলেছে, ভারত সরকার এম৭৭৭-এর ফরেন মিলিটারি সেলের ব্যাপারে এগচ্ছে। এতে আমরা খুশি। এই সিস্টেম লড়াইয়ের ময়দানে পরীক্ষায় উতরে গিয়েছে। এটা পেলে ভারতীয় সেনার সামরিক শক্তি বাড়বে। দামের দিক থেকেও সুবিধা পাচ্ছে তারা। দু দেশের সরকারকে এর চুক্তির ব্যাপারে এগিয়ে যেতে তারা সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছে বিএই সিস্টেমস। . সুত্র : ABP আনন্দ

কূটনীতিতে বড় সাফল্য, মিসাইল টেকনোলজি কন্ট্রোল রেজিমে প্রবেশ করল ভারত

★কূটনীতিতে বড় সাফল্য, মিসাইল টেকনোলজি কন্ট্রোল রেজিমে প্রবেশ করল ভারত★ . . সোমবার থেকেই মিসাইল টেকনোলজি কন্ট্রোল রেজিম বা এমটিসিআর-এর পূর্ণ সময়ের সদস্য হতে চলেছে ভারত। বিদেশ সচিব এস জয়শঙ্কর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। ৩৪ সদস্যের এই অভিজাত মিসাইল টেকনোলজি কন্ট্রোল গ্রুপে প্রবেশের জন্য যাবতীয় মানদণ্ড সাফল্যের সঙ্গে স্পর্শ করেছে দিল্লি, ফলে এমটিসিআর-ই হতে চলেছে প্রথম আন্তর্জাতিক এক্সপোর্ট কন্ট্রোল গ্রুপ যাতে প্রবেশাধিকার পেতে চলেছি আমরা। . ভারত- মার্কিন অসামরিক পরমাণু চুক্তি অনুযায়ী ২০০৮-এর সেপ্টেম্বর থেকে এমটিসিআর নির্দেশিকা মেনে চললেও এই গোষ্ঠীর সদস্যপদ পেতে নয়াদিল্লি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম আবেদনপত্র পেশ করে গত বছর জুন মাসে। অক্টোবরে প্লেনারি মিটিং হলেও পরমাণু অস্ত্রপ্রসাররোধচুক্তিতে সই না করা নিয়ে ইতালি আপত্তি তোলায় ভারত এমটিসিআর সদস্যপদ পায়নি। সম্ভবত ইতালীয় নাবিক ইস্যুতে দিল্লিকে নমনীয় করার জন্য রোম এই অবস্থান নেয়। কিন্তু অন্যান্য সদস্য দেশগুলির ভারতকে নিয়ে কোনও আপত্তি ছিল না। বিশেষ করে আমেরিকা ও ফ্রান্স ভারতের পাশে বিশেষভাবে দাঁড়ানোয় বরফ গলতে সময় লাগেনি। আন্তর্জাতিক ট্রাইবুন্যালের নির্দেশ মেনে মে মাসের শেষে বন্দি ইতালীয় নাবিককে দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি। এরপরই এই ইস্যুতে আগের অবস্থান থেকে সরে আসে রোম। জুনের শুরুতে হেগ কোড অফ কনডাক্ট এগেনস্ট ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রোলিফেরাশন স্বাক্ষর করে এমটিসিআর-এ প্রবেশাধিকার পেতে আরও এক ধাপ এগোয় ভারত। এরপর ৭ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বৈঠকে সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। সোমবারই ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবুর্গ বিদেশ সচিব এস জয়শঙ্করের হাতে এমটিসিআর-এ ভারতের সদস্যপদের ব্যাপারে চূড়ান্ত অনুমোদনপত্র তুলে দেবে। সিওলে এমটিসিআর-এর পরবর্তী প্লেনারি মিটিংয়ে পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগ দিতে পারবে ভারত। . সুত্র : ABP আনন্দ

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারতে তৈরি ডিআরডিও ধনুষ কামানের ব্যাপক উৎপাদনের জন্য অনুমতি দিয়েছে।

ব্রেকিং_নিউজ‬ ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারতে তৈরি ডিআরডিও ধনুষ কামানের ব্যাপক উৎপাদনের জন্য অনুমতি দিয়েছে। এই সপ্তাহের শেষে আর্মির হাতে আরও তিনটি ধনুষ আরটিলারি তুলে দেওয়া হবে। আর্মি এই মুহূর্তে 414টি এই গান অর্ডার দিয়েছে। সর্বমোট 2500 টি এই কামান তৈরির পরিকল্পনা আছে।

Saturday, 25 June 2016

চীনের চোখে চোখ রেখে কথা বলার ক্ষমতা রাখে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিধর রাষ্ট্র ভারতই, মার্কীন কংগ্রস সদস্য → ইলিয়ট এঙ্গেল।

✺►চীনের চোখে চোখ রেখে কথা বলার ক্ষমতা রাখে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিধর রাষ্ট্র ভারতই, মার্কীন কংগ্রস সদস্য → ইলিয়ট এঙ্গেল। ➥এশিয়ায় চিনের ক্রমবর্ধমান আধিপত্যের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে একমাত্র ভারতই। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত নয়াদিল্লির সঙ্গে বোঝাপড়া বাড়ানো।বক্তা মার্কিন কংগ্রেসের এক সদস্য ইলিয়ট এঙ্গেল। ➥কংগ্রেসের এক আলোচনাসভায় নিউ ইয়র্কের কংগ্রেস সদস্য এঙ্গেল বলেছেন, ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিধর রাষ্ট্র। দক্ষিণ চিন সাগর, প্রশান্ত মহাসাগরের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলিতে চিনের বিরুদ্ধে সরব ভারত। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও জোরদার করা।

এই বছরের শেষের মধ্যে ভারত এনএসজির সদস্যপদ পেয়ে যাবে : আমেরিকা।

✺►এই বছরের শেষের মধ্যে ভারত এনএসজির সদস্যপদ পেয়ে যাবে : আমেরিকা। ➥এনএসজির বৈঠক শেষ হবার কয়েক ঘন্টা পরেই আমেরিকার তরফ থেকে বলা হয়েছে পুনরায় এনএসজির বৈঠকে ভারতকে নিয়ে আলোচনা করা হবে। ভারতকে পূর্ণ সদস্যপদ দেবার জন্য আবার আলোচনা হবেই। তাদের তরফ থেকে বলা হয়েছে ভারত এই বছরের শেষের মধ্যে এনএসজির সদস্যপদ পেয়ে যেতে পারে। ➥আমেরিকার রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার উচ্চ আধিকারিক বলেছেন, আমার আশা এই বছরের শেষের মধ্যে ভারত এনএসজির সদস্যপদ পেয়ে যাবে। এরমধ্যে কয়েকটি কাজ করতে হবে। কিন্তু সেগুলি হয়ে যাবে। আর ভারত্ এনএসজির সদস্যপদ পেয়ে যাবে। আধিকারিকের বক্তব্য, ভারতের সদস্যপদ নিয়ে আমেরিকা,রাশিয়া,ফ্রান্স আশা করে বসে আছে। এবং ভরসাও আছে যে ভারত এনএসজির সদস্যপদ পেয়ে যাবে। ভারতের এনএসজি সদস্যপদের জন্য আমেরিকা ভারতের সঙ্গে মিলে অনেক কাজ করেছে। তাঁদের আশা এই সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত ভারতের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। এবং কোনো না কোনো রাস্তা বেরবে। আর ভারত এই বছরের শেষের মধ্যে এনএসজির পূর্ণ সদস্য হয়ে যাবে।

আবারো রিপ্লেসমেন্ট ভয় থেকে রক্ষা পেলো লেজেন্ডারি C-130

যাক আবারো রিপ্লেসমেন্ট ভয় থেকে রক্ষা পেলো লেজেন্ডারি C-130আসলে ইউরোপীয় বেশ কিছু দেশের পাশাপাশি অনেক দেশ ই সি-১৩০ কে রিপ্লেস করার জন্য অত্যাধুনিক Airbus A400M তৈরি প্রগ্রামে যুক্ত হয় কিন্তু A400M এর প্রডাকশন লাইন প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম বিমান নির্মান সামর্থ্য থাকায় এই প্রজেক্টের সাথে সংযুক্ত থাকা দেশ গুলোর চাহিদামত এয়ারক্রাফট সরবারহ করতে পারছেনা এর ফলে ফ্রান্স জার্মানি সহ অনেক দেশ ই নুতুন করে C-130J/KC-130J পরিবহণ বিমান অর্ডার করছে। এর ফলে সি-১৩০ এর প্রডাকশন লাইন লাইফ টাইম আরো দীর্ঘ হচ্ছে। সি-১৩০ এর পারফরমেন্স বিবেচনায় নিলে একে লেজেন্ডারি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট বলে আখ্যায়িত করা যেতে পারে এক বাক্যে

আন্তর্জাতিক রাজনীতি হোক বা মিডিয়া বর্তমানে ভারতের নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোড়িত।

আন্তর্জাতিক রাজনীতি হোক বা মিডিয়া বর্তমানে ভারতের নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোড়িত। নিঃসন্দেহে ভারত একটি পরমানু শক্তিধর দেশ কিন্তু নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপের সদস্য নয় তাই ভারত সরকারের এখন লক্ষ্য এই গ্রুপে প্রবেশ করা। বর্তমানে এই গ্রুপের সদস্য সংখ্যা হলো ৪৮টি দেশ যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন সহ ৫টি দেশ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য ও বাকী ৪৩টি দেশ নিউক্লীয়ার নন পলিফিরেশান থ্রিটি বা NPT এর চুক্তিতে সাক্ষর করা দেশ কিন্তু ভারত এই চুক্তির সাক্ষর কারী দেশ নয়। এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স,রাশিয়ার মত দেশ গুলো ভারতকে দায়ীত্বশীল পরমানশক্তি রুপে নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপে দেখতে ইচ্ছুক তেমনই চীন, তুরস্ক, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড এর মত দেশ NPT তে সাক্ষর না করার জন্য ভারতের অন্তর্ভুক্তি তে আপত্তি প্রকাশ করেছে। তীব্র কুটনৈতিক প্রয়াসের মাধ্যমে ভারত কানাডা, সুইজারল্যান্ড এর মত দেশ গুলোকে নিজেদের বশে এনেছে এবং বাকীদেরও চেষ্টা চালাচ্ছে। সোজা কথায় বিশ্বের পরমানু বানিজ্যের রাশ যে ৪৮টি দেশের হাতে রয়েছে সেই গ্রুপে প্রবেশ করতে ভারত মরিয়া। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপে প্রবেশের জন্য ভারত এত মরিয়া কেন?? এই গ্রুপে প্রবেশ করতে পারলে ভারতের কি কি সুবিধা লাভ হবে?? . ★আসুন আজ আলোচনা করে দেখি এই গ্রুপে প্রবেশ করার ফলে ভারত কি কি বিশেষ সুবিধা পাবে : . ১. নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপে অন্তর্ভুক্তি মানে ভারতের সামনে পরমানু প্রযুক্তির এক নতুন যুগের সুচনা হবে। বর্তমানে ভারতের পরমানু প্রকল্প গুলি ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তির দ্বারাই পরিচালিত কিন্তু নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপের সদস্য হলে ভারত এই গ্রুপের বাকী সদস্য দেশ গুলির থেকে বিনা বাধায় আরো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংগ্রহ করতে পারবে যাতে ভারতের পরমানু প্রকল্প গুলি আরো সমৃদ্ধ ও উন্নত হবে। উল্লেখ্য, কেবলমাত্র অসামরিক উদ্দেশ্যেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে। . ২. ভারতের মত বিশাল একটি দেশের দ্রুত উন্নতির জন্য চাই শক্তি বা বিদ্যুৎ। বর্তমানে ভারতের মত সব উন্নয়নশীল দেশ গুলোই পর্যাপ্ত শক্তির অভাব অনুভুত করছে। ভারতের শক্তির প্রধান উৎস প্রধানত তাপবিদ্যুৎ। কিন্তু এইভাবে দশকের পর দশক চলা আর সম্ভব নয় তাই তাপবিদ্যুতের বিকল্প হিসাবে সবথেকে গ্রহন যোগ্য মাধ্যম হলো সুরক্ষিত পরমানু বিদ্যুৎ কিন্তু পরমানু জ্বালানীর আদান প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপ। ভারত এই গ্রুপের সদস্য না হওয়ায় কোন দেশ থেকে পরমানু জ্বালানী আমদানি করতে বিস্তর বাধা অতিক্রম করতে হয় যা সময়সাপেক্ষও বটে।
.
৩. নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপে ভারতের প্রবেশে ভারত যেন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি হস্তগত করতে পারবে তেমনই পরমানু বানিজ্যের দ্বার ভারতের সামনে খুলে যাবে। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারত আরো উন্নত নিউক্লীয়ার রিয়েক্টার উৎপাদন করতে পারবে। ফলে ভারতের প্রতিবেশী দেশ গুলো যেমন, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ ইত্যাদি দেশ গুলিকে তাদের দ্রুত আর্থিক বিকাশের লক্ষ্যে অসামরিক পরমানু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও নিউক্লীয়ার রিয়েক্টার দিয়ে সাহায্য করতে পারবে।
.
৪. নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপে প্রবেশ করতে পারলে ভারত তাদের বিভিন্ন প্রযুক্তিসহ নিউক্লীয়ার রিয়েক্টার পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করতে পারবে। এরফলে আন্তর্জাতিক মহলে পরমানু শক্তিধর দেশ হিসাবে ভারতের ছবিই শুধু উজ্জ্বল হবে না সাথে ভারতে পরমানু বানিজ্য শিল্পের এক অধ্যায় শুরু হবে। ভারত সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া নীতি গতিলাভ করবে।
.
৫. নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপ সর্বসম্মতিক্রমেকাজ করে থাকে অর্থাৎ ভারতের এই গ্রুপে প্রবেশের অর্থ সারা জীবনের জন্য পাকিস্থান বা অন্য ভারত বিরোধী রাস্ত্রের এই গ্রুপে প্রবেশের দরজা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়া। এটাই পাকিস্থানের সবথেকে বেশী ভয়ে ও চীনের প্রধান আপত্তির কারন তাই চীনের উদ্দেশ্য ভারতের সদস্যপদ শেষে আটকানো সম্ভব না হয়ে পাকিস্থান কেও ভারতের সাথেই এই গ্রুপের সদস্য করে দেওয়া।
.
★এবার প্রশ্ন হলো ভারতের এনএসজি গ্রুপে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে চীনের পরোক্ষ আপত্তির কারন কি..???
.
চীন বারবার ভারত কে আটকানোর জন্য NPT এর প্রশ্ন তুলছে কিন্তু নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপে প্রবেশ করার জন্য NPT তে সাক্ষর করা আবশ্যক এই ধরনের কথা কোথাও বলা নেই শুধু বলা হয়েছে NPT তে সাক্ষর করা থাকলে ভাল। NPT বা পরমানু নিরস্ত্রিকরন চুক্তিতে ভারতের সই করা মানে ভারতের সব ধরনের সামরিক পরমানু প্রকল্প গুলি বন্ধ করার সামিল হবে যা প্রত্যেক সপ্তাহে পাকিস্থানের থেকে পরমানু আক্রমনের হুমকি তে থাকা ভারতের জন্য অসম্ভব। কিন্তু সবথেকে বড় কথা এনএসজি গ্রুপের সদস্য হওয়ার জন্য NPT তে সাক্ষর করা বাধ্যতামূলক নয়। দ্বিতীয়ত, এই মাসের ৭ তারিখে ৩৪টি দেশের সর্বসম্মতি ক্রমে ভারত মিসাইল কন্টোল টেকনোলজি রিজিমের সদস্যপদ লাভ করেছে যা ২০০৪সাল থেকে চেষ্টা করার পরেও চীন এখনো লাভ করতে পারি নি কারন তাদের ওপর গোপনে পাকিস্থান,ইরান ও উত্তর কোরিয়াকে মিসাইল টেকনোলজি দেওয়ার অভিযোগ আছে। তাই চীনের পক্ষে হয়ত এই অপমান হজম করা সহজ হচ্ছে না। তৃতীয়ত, চিন মনে করছে ভারত এনএসজি গ্রুপের সদস্যপদ লাভ করলেই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী আসন লাভ করার জন্য সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপাবে যা, চীনের রাস্ট্রহিতের পরিপন্থী বলে চীন মনে করে। চতুর্থ, চিন দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার শক্তি ভারসাম্য রক্ষার নামে শুধু এনএসজি তেই নয় প্রায় সব জায়গায় পাকিস্থান কে ভারতের বিপরীতে এগিয়ে দিচ্ছে। যদিও সারা বিশ্বই জানে পাকিস্থানের মত একটি জঙ্গিবিধস্ত, ভঙ্গুর ও ব্যর্থ অর্থনীতির দেশের পক্ষে ভারতের মত এশিয়ার উদিতমান শক্তির সাথে টক্কর দেওয়া আর সম্ভব নয় তাই অর্থনীতি, সামরিক বা আন্তর্জাতিক প্রভাবে ভারত ও পাকিস্থানের মধ্যে দক্ষিন এশিয়ায় শক্তি ভারসাম্য রাখা এখন অসম্ভব কারন পাকিস্থানের পক্ষে ভারতের মত শক্তিশালী রাষ্ট্র কে আটকানো দূরে থাক আফগানিস্থানের মত দুর্বল রাস্ট্র কেও আটকানো কষ্টসাধ্য হচ্ছে। আশা করা যায়, চীনের বুদ্ধিমান শাসক রা খুব তাড়াতাড়ি এই সত্য উপলব্ধি করতে পারবে। তাই বলা যায় চীন কুটনৈতিক প্রয়াসের মাধ্যমে ভারতের নিউক্লীয়ার সাপ্লাই গ্রুপে প্রবেশ কিছু সময়ের জন্য দেরী করিয়ে দিতে পারে কিন্তু শেষ পর্যন্ত আটকাটে পারবে না। তাই ভারতের বিদেশমন্ত্রী শ্রীমতি সুষমা স্বরাজ বলেছেন, "আমি আত্মবিশ্বাসী এই বছরের মধ্যেই ভারত এনএসজি গ্রুপের সদস্য পদ লাভ করতে সমর্থ হবে।"

বিশ্বসেরা স্নাইপারঃ-Simo HäyhäThe White Death

                                            বিশ্বসেরা স্নাইপারঃ- Simo HäyhäThe White Death
নামে বহুল পরিচিত এইলক্ষ্যভেদী স্নাইপারের নিশ্চিত শিকার সংখ্যা৭০৫ (রাইফেলের গুলিতে ৫০৫ জন এবংসাবমেশিন গানের গুলিতে ২০০ জন)! জাতে ফিনিশএই যোদ্ধা Iron Sighted Bolt ActionRifle ব্যবহার করে সর্বকালের সেরা স্নাইপারহিসেবে নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় খোদাইকরেছেন। পৃথিবীর কোনো যুদ্ধেই একা একজন সৈন্যএতগুলো প্রান নিতে পারেনি Simo Hayhaযতগুলো নিয়েছেন।Hayha’রজন্ম বর্তমান ফিনল্যান্ড ও রাশিয়ারসীমান্তবর্তী শহর Rautjärvi তে।সেনাবাহিনীতেযোগদান করেন ১৯২৫ সালে। তবেস্নাইপার হিসেবে দায়িত্ব পান ১৯৩৯-৪০ সালেচলা রাশিয়াও ফিনল্যান্ড এর মধ্যকারWinter War এ ।এই সংঘর্ষ চলাকালীন তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে৪০ ডিগ্রী পর্যন্ত নেমে যায়। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে Hayha এই অসহনীয় শীতেও নিজেকে মানিয়েনেন। এবং ১০০ দিনেরও কম সময়ে ৫০৫ জনরাশিয়ানকে মৃত্যুপুরীতে পাঠিয়ে দেন, যদিগুলিবিদ্ধদেরকেও হিসাবে আনা হয় তবে সংখ্যাটিদাঁড়ায়৫৪২ এ , তারপরও যুদ্ধের ফ্রন্টলাইনেরখসড়া হিসেবে Hahya’র শিকার সংখ্যা ৮০০ এরউপরে ধরা হয় !!!!স্নাইপিং রাইফেল ছাড়াও Hayha সুওমি KP/31সাবমেশিন গান ব্যবহার করে ২০০ জনরাশিয়ানকে হত্যা করার মাধ্যমে ৭০৫ জনেরপ্রানহরন করা অফিসিয়ালি নিশ্চিত করেন।কীভাবে Häyhä এই অবিশ্বাস্য কাজটি করলেনসেটি আসলেই রহস্যই থেকে যায়। আপাতদৃষ্টিতেএকটানা তিন মাস ধরে রাশিয়ানফ্রন্টেতুষারপাতের মাঝে একের পর এক বিরামহীন ভাবেরাশিয়ান সৈন্য মাছির মত মেরে গেছেন।অবশ্যই রাশিয়ান জেনারেলরা যখন দেখছিলেন এতসৈন্য মারা যাচ্ছে তারা ধরেই নেনযেহেতু যুদ্ধচলছে সৈন্য তো মারা যাবেই। কিন্তু যখন তাদেরকাছে খবর আসলো Hahya নামক এক অতিমানবএকাই শ’য়ে শ’য়ে রাশিয়ান মেরে চলেছেন তখন তারাকোমর বেঁধে নামার সিদ্ধান্ত নিলেন।প্রথমেই তারা ফিনিশ ফ্রন্টে কয়েকজন দক্ষকাউন্টার স্নাইপার পাঠালেন। কিন্তু যখন তারাফিরে আসছিল না তখন ক্ষিপ্ত রাশিয়ানজেনারেলরা এক ব্যাটালিয়ন সৈন্যই পাঠালেন কেবলHahya কে সরানোর জন্য। কিন্তু অন্যান্যফিনিশ সৈন্য রাশিয়ানদের হাতে মারা ও বন্দীপরলেও Hayha কে খূজে পেতে ব্যর্থ হয় তারা।পরিনামে একের পর এক কামান পাঠানো হয় ফিনিশফ্রন্টে সেটাও কেবল Hahya কে হত্যারউদ্দেশ্যে। কিন্তু দেখতেই পাচ্ছেন Hahya ছিলশেয়ালের মত ধূর্ত। মৃত্যুখড়্গ তার কানের পাশদিয়ে ঘুরে গেলেও তার ঘাড় খুজে পায়নি। উচ্চতায়Hahya ছিলেন মাত ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি। উচ্চতারসাথে সামঞ্জস্য রেখেতিনি ব্যবহারও করতেনতুলনামূলক খাটো রাইফেল। লক্ষ্যভেদে আরোদক্ষতা বাড়াতে লোহার তৈরি শুটিং সাইট ব্যবহারকরতেন। ব্যারেলের সাথে ঘন করে তুষার রেখেদিতেন যাতে গুলিকরার পরও তার অবস্থান যাতেটের না পাওয়া যায়। তিনি মুখের ভেতরও তুষার ভরেরাখতেন যাতে তার নিশ্বাসের শব্দ কাছ দিয়ে হেটেওগেলেও কেউ শুনতে না পায়।পরবর্তীতে ১৯৪০ সালের মার্চের ৬ তারিখেচোয়ালে স্ট্রে বন্দুকের গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকেউদ্ধার করেতার সহযোদ্ধারা। উদ্ধার করার সময়তার মুখমণ্ডলের অর্ধেক নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিল।তারপরও সে বেঁচে ছিলেন এবং কিছুদিন পর রাশিয়াও ফিনল্যান্ডের মধ্যে শান্তিচুক্তি হওয়ার দিনঅর্থাৎ ১৩ই মার্চ, ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে জ্ঞানফিরে পান ।২০০২সালের ১লা এপ্রিল ৯৬ বছর বয়সে মারাযায় সর্বকালের সেরা এই দুর্ধর্ষ স্নাইপার।আবারো তার শিকার সংখ্যা মনে করিয়ে দিয়ে যাই–সর্বমোট হত্যা -> ৫০৫ (স্নাইপিং রাইফেল) +২০০ (সাবমেশিন গান) = ৭০৫ জন সুনিশ্চিতভাবে …… ১০০ দিনেরও কম সময়ে !!!!!!

ব্রেকিং__নিউজ‬:-

                                                                      ব্রেকিং__নিউজ‬:-
গতকাল ইজরাইল ,তার অর্ডার দেওয়া 33 টি পঞ্চম প্রজন্মের F-35 বিমানের , প্রথম বিমানটি হাতে পেয়েছে।আমেরিকারতৈরী এই ফাইটারটি হল ,বর্তমান বিশ্বের সর্বপেক্ষা আধুনিক তম টেকনোলজির ফাইটার।F-35 একটি গ্রাউন্ড এটাক স্পেসালিস্ট ফাইটার ,তাই এটি দিয়ে ইজরাইলি এয়ার ফোর্স জঙ্গীদের ওপর আরও মারাত্মক হামলা চালাতে পারবে।এটি স্টেলথ প্রযুক্তিতে তৈরী ,তাই এটি শত্রুর রাডারে ধরা পরে না।

আপনি_কি_জানেন?

১. চীনের সীমানার কাছে ভারতে একটি লেক রয়েছে। প্রতিবছরের এক মাস ওই লেকের পানি টলটলে পরিষ্কার হয়ে যায়। তখন সেখানে দেখা যায় প্রায় ১ হাজার ২০০ বছরের আগের কয়েক শত কঙ্কাল। ২. মুম্বাইয়ের হাইকোর্টে ৩ লাখ মামলার জট রয়েছে। এর অনেকগুলো ২০ বছরের পুরনো। ৩. মুম্বাইয়ে প্রতি একজন মানুষের জন্যে ১.১ বর্গ মিটার স্থান খালি রয়েছে। ৪. এশিয়ার সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন গ্রামের দেশ ভারত। ৫. বইয়ের প্রতি দারুণ ভক্তি ভারতীয়দের। তারা বই পড়ে গেলে বা পায়ে লাগলে বইয়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। ৬. ভারতে থেকে কোনো ইন্টারন্যাশনাল প্যাকেজ পাঠাতে হলে একজন 'প্যাকেজ স্পেশালিস্ট'-এরসঙ্গে দেখা করতে হয়। ৭. ভারতে কমিউটার ট্রেনে ভিড় রীতিমতো বিখ্যাত। যে বগিতে ২০০ মানুষ ধরে, সেখানে ৫৫০ জন ভ্রমণ করেন। ৮. ব্রিটেনের বাইরে 'দ্য রয়াল ক্যালকাটা গলফ ক্লাব' সবচেয়ে পুরনো গলফ ক্লাব। ৯. ভারতীয়রা বাম হাতে টাকা-পয়সা নেওয়াকে অভদ্রতা বলে মনে করেন। কারণ টয়লেটে এই হাতের ব্যবহার হয়। ১০. 'দ্য ক্যালকাটা পোলো ক্লাব' বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো পোলো ক্লাব। ১১. বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্লাস্টিক সার্জারির ধারণা প্রথম শুরু হয় ভারতে। খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতে নাকের বদলের কথা লিপিবদ্ধ রয়েছে। ১২. দাবা খেলার জন্ম ভারতে। এমনকি এর আন্তর্জাতিক নাম 'চেজ' শব্দটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ 'চতুরঙ্গি' থেকে। ১৩. ভারতে অভিবাসীদের ভারতীয় মুদ্রা রুপি দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া বেআইনি বলে গণ্য হয়। ২০১৩ সালে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এই আইন জারি করে। ১৪. প্রতি ১২ বছরে একবার বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ 'স্ট্রিট পার্ট' অনুষ্ঠিত হয় ভারতে। ধর্মীয় এই আয়োজনের নাম 'কুম্ভ মেলা'। ১৫.ভারতীয়রা নিজের দেশকে নিজের মায়ের মতোন মনে করেন l ১৬. শেষ দারুণ তথ্যটি ওবামাকে নিয়ে। এই সফরে তিনি বেশ কয়েকটি নিয়ম ভঙ্গ করবেন। যেমন- ভারতের স্বাধীনতা দিবসের মেহমান হচ্ছেন তিনি। এ ছাড়া টানা দুই ঘণ্টা তিনি খোলা আকাশের নিচে মানুষের মাঝে থাকবেন, যা কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্যে একটি রেকর্ড।

চীন মার্কিন স্টিলথ বোমারু বিমান বি ২ এর আদলে বোমারু বিমান তৈরি করছে।নাম দেওয়া হয়েছে "এইচ ২০"।

চীন মার্কিন স্টিলথ বোমারু বিমান বি ২ এর আদলে বোমারু বিমান তৈরি করছে।নাম দেওয়া হয়েছে "এইচ ২০"।মার্কিন বি ২ বোমারু বিমানের একজন ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার চীনকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগে ৩২ বছরের কারাদন্ডে অভিযুক্ত রয়েছে।তার পাঠানো তথ্য এই বিমান তৈরি করতে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়াও চীন সুপারসনিক গতির বোমারু বিমানও তৈরি করছে। নাম দেওয়া হয়েছে "এইচ ১৮"।এটিও অনেকটা মার্কিন বি ১ বোমারু বিমানের মত হতে পারে।

kornet anti tank guided missile(ATGM)

                                               ★kornet anti tank guided missile(ATGM)★
. মিসাইলটি রাশিয়ার তৈরী, এই মিসাইলটি বর্তমানে সেরা এন্টি ট্যাংক মিসাইল গুলোর একটি। এটির ওজন ২৭ কেজি। এটির বিভিন্ন ভার্সন রয়েছে। ভার্সন অনুসারে মিসাইলগুলোর রেন্জ একেক রকম। এটির সর্বনিম্ন রেন্জ ১০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ রেন্জ ১০ হাজার মিটার। অর্থ্যাৎ ১০ কি.মি। উল্লেখ্য, ইরাক যুদ্ধে ইরাকি বাহীনি আমেরিকার বিরুদ্ধে এইগুলো ব্যবহার করে। এছাড়াও লেবানন যুদ্ধেও এই মিসাইলগুলোর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

আপনি_কি_জানেন?

আপনি_কি_জানেন?‬ যে ভারতীয় সেনা ঐ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি T-90s ট্যাংক চালায় l আমাদের T-90s ট্যাংক বহর রাশিয়া যে কিনা ঐ ট্যাংক বানিয়েছে তাদের T-90s বহর থেকেও অনেক বড় l রাশিয়া 550টি T-90s চালায় ও সেই জায়গায় ভারত চালায় মোট 1250টি ট্যাংক চালায় l ‪

খুব শীঘ্রই সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি নতুন জাহাজ ও সাবমেরিন-বিধ্বংসী টর্পেডো মিসাইলকে অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা।

খুব শীঘ্রই সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি নতুন জাহাজ ও সাবমেরিন-বিধ্বংসী টর্পেডো মিসাইলকে অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা। বৃহস্পতিবার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার ফাঁকে এই কথা জানালেন দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (ডিআরডিও)-র ডিরেক্টর জেনারেল তথা ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স (আর অ্যান্ড ডি)-এর সচিব ডঃ এস ক্রিক্টোফার। তিনি জানান, ‘বরুণাস্ত্র’ নামের এই হেভি ইলেকট্রিক্যাল টর্পেডোর নকশা তৈরি করেছে ডিআরডিও-র অধীনে থাকা বিশাখাপত্তনমের নেভাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল ল্যাবোরেটরি (এনএসটিএল)। আর টর্পেডোটির নির্মাণ করেছে ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (বিডিএল)। বেশ কয়েক বছর ধরেই দেশীয় টর্পেডো নির্মাণ করার গবেষণা চালাচ্ছে ডিআরডিও। যার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এনএসটিএল-এর ওপর। প্রসঙ্গত, নৌসেনার ব্যবহারযোগ্য বিভিন্ন অস্ত্র নিয়েই প্রধানত গবেষণা চালিয়ে থাকে এনএসটিএল। জলের নীচ দিয়ে চলতে পারা অস্ত্র এবং প্রযুক্তি সংক্রান্ত গবেষণায় এই প্রতিষ্ঠানের সুখ্যাতি রয়েছে। এই টর্পেডোর গবেষণায় প্রধান ছিলেন বিজ্ঞানী আব্রাহাম ভার্গিজ, যাঁকে সকলেই বিজ্ঞানী ‘জি’ নামেই চেনেন। ডিআরডিও সূত্রে খবর, ৮-মিটার দৈর্ঘ্যের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি হওয়া এই টর্পেডো উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন সফটওয়্যার দ্বারা চালিত। ‘বরুণাস্ত্র’-র বিশেষত্ব হল, এটি শত্রু সাবমেরিনকে খুঁজে বের করে ধ্বংস করতে সক্ষম। এটি ২৫০ কেজি বিস্ফোরক বহনে সক্ষম। জানা গিয়েছে, সম্প্রতিই এই টর্পেডোর একাধিকবার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে নৌসেনা। ‘ইউজার-ট্রায়াল’বা কার্যকারিতা পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। টর্পেডোর বরাত দেওয়া হবে বিডিএল-কেই। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, আগামী ১০ বছরে ভারতীয় নৌসেনার প্রচুর পরিমাণ টর্পেডোর প্রয়োজন পড়বে। কারণ, নতুন রণনীতি অনুসারে, ভারত সাবমেরিন সংখ্যা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যেই ৬টি স্করপিন শ্রেণির সাবমেরিনের কাজ প্রায় শেষ। পাশাপাশি, শুরু হচ্ছে ‘প্রজেক্ট ৭৫ আই’-র আওতায় থাকা ৬টি সাবমেরিনের নির্মাণ। এছাড়া, বাহিনীতে চার থেকে ছয়টি পরমাণু-শক্তিচালিত সাবমেরিনকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫০০-৬০০ টর্পেডোর প্রয়োজন নৌসেনার। বিদেশ থেকে টর্পেডো আমদানি করতে বিপুল পরিমাণ খরচ। তাই নিজস্ব টর্পেডো থাকলে, আখেরে লাভ ভারতেরই। সূত্র : ABP আনন্দ

ভারতকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায় পাকিস্তান।

ভারতকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায় পাকিস্তান। সেই কারণে ভারতের কথা মাথায় রেখেই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। জার্মানির একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেশনস-এর ডিরেক্টর জেনারেল আসিম বাজবা। পাক সেনার মুখপাত্র বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান না হওয়ার জন্যই ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের মধ্যে উত্তেজনা বজায় আছে। তবে পাকিস্তানের তরফ থেকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। আন্তর্জাতিক মহল পাকিস্তানের জন্য বিশেষ কিছু করেনি বলেও অভিযোগ করেছেন বাজবা। তাঁর আরও দাবি, সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তান অনেক ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু পশ্চিমী দুনিয়ার অভিযোগ, পাক সেনাবাহিনী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয় না। এই অভিযোগ দুঃখজনক এবং অন্যায্য। সম্প্রতি পাকিস্তানকে না জানিয়ে সেদেশে ড্রোন হামলা চালিয়ে তালিবান প্রধান মোল্লা আখতার মনসুরকে হত্যা করেছে মার্কিন সেনা। এই ঘটনার সমালোচনা করে বাজবা বলেছেন, এই ড্রোন হানার বিষয়ে পাকিস্তানকে আগাম খবর না দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক। আফগানিস্তানে সরকারের সঙ্গে তালিবানের রফার ক্ষেত্রে মনসুরের বিশেষ ভূমিকা ছিল। তিনি অন্য দেশ থেকে পাকিস্তানে এসেছিলেন। তাঁর গতিবিধির উপর নজরদারি চালিয়ে আক্রমণ করে হত্যা করা হয়েছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী দেশ পাকিস্তান। কিন্তু তা সত্ত্বেও পাকিস্তানকে এ বিষয়ে কিছুই না জানানোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। সূত্র :ABP আনন্দ

আমরা মাথা নত করি না: রাষ্ট্রপুঞ্জে আফগানিস্তানের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানকেপাকিস্তানকে এ বার কঠোর শব্দে হুঁশিয়ারি দিল আফগানিস্তান।

আমরা মাথা নত করি না: রাষ্ট্রপুঞ্জে আফগানিস্তানের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানকে পাকিস্তানকে এ বার কঠোর শব্দে হুঁশিয়ারি দিল আফগানিস্তান। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে আফগানিস্তানের প্রতিনিধির সতর্কবার্তা- ইতিহাস সাক্ষী রয়েছে, কোনও আগ্রাসনের সামনে আফগানরা কখনও নতিস্বীকার করে না। আফিগানিস্তানে নাশকতা চালানোর জন্য পাকিস্তান নিজেদের ভূখণ্ড অবাধে ব্যবহার করতে দিচ্ছে জঙ্গিদের- এই অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। পাকিস্তানের ক্ষমতা দখলে উত্সাহী তেহরিক-ই-তালিবান-এর বিরুদ্ধে অভিযান চালালেও, আফগান তালিবানকে কখনও বিরক্ত করতে চায় না পাক সেনা। পাকিস্তানের মাটিতে ঘাঁটি গেেড তারা যাতে আফগানিস্তানের গণতান্ত্রিক সরকারকে উত্খাত করার সব রকম চেষ্টা করতে পারে, তার জন্য পাক সেনা এবং আইএসআই তালিবানকে সাহায্য করে বলেও কাবুলের অভিযোগ। মঙ্গলবার নিরাপত্তা পরিষদের এক আলোচনা সভায় আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জে আফগানিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি মাহমুদ সইকল তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে। কোনও আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের এমন তীব্র উষ্মার নজির নেই। নিজের দেশে সন্ত্রাসবাদীদেরবিরুদ্ধে লডার জন্য এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দরকার বলে পাকিস্তান দাবি করছে অনেক দিন ধরেই। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে আর্থিক ও সামরিক সহায়তা নিয়েও পাকিস্তান জঙ্গি দমনে যে টালবাহানা দেখিয়েছে, তার প্রেক্ষিতে আমেরিকা নতুন করে পাকিস্তানকে সাহায্য দিতে নারাজ। এফ-১৬ পাকিস্তান কিনতে পারেনি আমেরিকার কাছ থেকে। সেই প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রপুঞ্জে নিযুক্ত আফগান দূত তীব্র কটাক্ষ করেন ইসলামাবাদকে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লডার জন্য এফ-১৬ বা পরমাণু চুক্তির প্রয়োজন হয় না। পাকিস্তানের দরকার 'সততা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা'। পাকিস্তান আফগানিস্তানের গণতান্ত্রিক সরকারকে অস্থির করার চেষ্টা করছে বলেও প্রকারান্তরে অভিযোগ করেছেন মাহমুদ। তিনি নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনা সভায় জানান, তোরখাম এলাকায় পাকিস্তান একটি নতুন সীমান্ত চৌকি তৈরি করেছে, যা আদৌ পাকিস্তানের এলাকায় নয়। আফগান এলাকায় ঢুকে পাকিস্তান ওই সীমান্ত চৌকি বানিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। পূর্ব আফগানিস্তানের নাঙ্গারহার, খোশ্ত, পাকতিকা, কুনার, নুরিস্তান প্রদেশে পাকিস্তান ক্রমাগত গোলাবর্ষণ করছে বলেও মাহমুদ জানান। তবে তার পর আর কোনও আবেদন-নিবেদনের রাস্তায় হাঁটেননি আফগান প্রতিনিধি। কডা হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ''কোনও ভুল ধারণার মধ্যে থাকবেন না। আফগানিস্তানের গর্বিত সরকার ও গর্বিত জনগণ, আগ্রাসন, ভীতিপ্রদর্শন, হিংসার সামনে কখনও মাথা নত করেনি, করছে না, করবেও না। আমাদের ইতিহাস তার সাক্ষী।'' নিরাপত্তা পরিষদের মতো সর্বোচ্চ মঞ্চে আফগানিস্তানের মতো প্রতিবেশী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এত চডা সুরে কখনও বিষোদ্গার করেনি, বলছে ওয়াকিবহাল মহল। সীমান্তে পাক আগ্রাসন এবং জঙ্গিদের সাহায্য করা বন্ধ না হলে আফগানিস্তান যে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবে না, তা স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রপুঞ্জে নিযুক্ত আফগান দূত। সূত্র :আনন্দবাজার পত্রিকা ‪

আপনি কি জানেন?

আপনি কি জানেন?
. ভারতের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধ বিমান এডভান্স মিডিয়াম কম্ব্যাট এয়ারক্রাফট বা AMCA তে ভয়েস কম্যান্ড ব্যবস্থা থাকবে। অর্থাৎ পাইলট শুধু কথা বলার মাধ্যমে বিমান পরিচালনা করতে পারবে। যা বর্তমানে রাফাল ও এফ-৩৫ এ আছে। আপগ্রেডের পর রেপ্টরে আসবে। এতে একদিকে যেমন পাইলটের চাপ কমবে তেমন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তে পাইলটের ব্যাপক সুবিধা দেবে। এছাড়া আমকা(AMCA) বিমানে থাকছে সর্বাধুনিক ডাটা ফিউসান ব্যাবস্থা। পাইলটের কি করা উচিত তাও বলে দেবে বিমান। আপনি ম্যাপ এ কোন কোন স্থানে বম্বিং করতে চান বলে দিলে বিমান নিজেই তা করে দেবে। ভাবতেই পারছেন কতটা ভয়ানক হতে পারে এই বিমান।

জেএফ-১৭ এর সাথে তেজসের তুলনা

অতি চালাকের গলায় দরি। অনেকে পাকিস্তানের জেএফ-১৭ এর সাথে তেজসের তুলনা করতে গিয়ে বলেন যে জেএফ-১৭সার্ভিসেএসেছে। কিন্তু তেজস কোথায়? তেজস ৩২ বছর ধরে কাজ চলছে ব্লাব্লা। কতটা যুক্তিযুক্ত সেই কথা তা আজ দেখাব। ১- জেএফ-১৭ পাকিস্তানের গর্ব কিন্তু এর মধ্যে পাকিস্তানের অংশ কতটা তা দেখাতে হিমশিম খায় পাকিস্তানের ফ্যান বয়েজ। যেখানে তেজসের ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সুইট, কম্পিউটার সিস্টেম, ককপিট গ্লাস, এয়ার ফ্রেম ও আরও অনেক কিছুই ভারতের তৈরি। ২- জেএফ-১৭ কোনো পাকি ফাইটার নয় এটা জয়েন্টলি ডেভেলপ করা হয়েছে। অর্থাৎ সমস্ত ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ ও উন্নয়ন প্রক্রিয়া চীনে হয়েছে। শুনলে অবাক লাগে যে ফাইটার নিয়ে এত গর্ব তার মেন প্রডাকশান লাইন পাকিস্তানে না চীনে। উল্টো দিকে ভারতের ৩২বছর সময় লাগার কারন ভারতের সমস্ত ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ ভারতের নিজে করতে হয়েছে। ভারত এরিনটিক্স ফিল্ডে নতুন। চীন বহু আগে থেকে ফাইটার বম্বার বানায় তাই চীনের ফাইটার আগে আসাই স্বাভাবিক। ৩- এবার আসি অন্য কথায়। ভারতের সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে কতটা বিপাকে পড়তে হল পাকিস্তানকে? পাকিস্তানের প্রথম ৫০টি জেএফ-১৭ ফাইটারে কোনো হেলমেট মাউন্টেড ডিসপ্লে নেই। যা ডগ ফাইটে এক বিরাট অসুবিধা। তেজসে সেই সুবিধা আছে। অর্থাৎ এইধরনের হেলমেট পরে পাইলট যে দিকে তাকাবে বিমানে ক্যনন বা পাইথন ৫ বা অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র সেটাকে টার্গেট করবে। ৪- এই ৫০টি বিমানে কোনো অক্সিজেন সিলেন্ডার নেই। অর্থাৎ অতি উচ্চতায় মিশন পরিচালনা করতে পারবে না এই বিমান। ৫- জেএফ-১৭ ব্লক ১ এ থাকছে না কোনো মিড এয়ার রিফিউলার। অর্থাৎ বিমানে থাকা জ্বালানি বিমানের শেষ সম্বল। তেজসের প্রথম ভার্সানেই তা থাকছে। ৬- জেএফ-১৭ ব্লক২ প্রর্যন্ত থাকছে না কোনো এইএসএ (AESA) রেডার যেখানে তেজস মার্ক-১এ তেই এইএসএ (AESA) রেডার পাচ্ছে। ৭-জেএফ-১৭ ব্লক২ অব্ধি এয়ার ফ্রেম তৈরি মেটাল বডি। তাই আরসিএস ১৫০কিমি থেকে ৫বঃমি যেখানে তেজসে ১৳৳৳৫বঃমি অর্থাৎ তেজস কে রেডারে ধরা অত্যন্ত কঠিন কারন তেজসের বডির ৬০শতাংশ তৈরি কার্বন কম্পোজাইট দিয়ে। ৮- জেএফ ১৭ ইতিমধ্যে অফিশিয়ালি ১বার ক্রাশ করেছে যেখানে তেজস আজ অব্ধি ক্রাস করেনি। আশা করি বুঝতে পারছেন কেন কোনো জিনিসে তারাহুরো করতে নেই। তেজস মার্ক-১এ জেএফ-১৭ ব্লক৩এর চেয়ে বেশি উপযোগি।

বিশ্বাসঘাতকতা করলো সুইজারল্যান্ড !!

                                                     বিশ্বাসঘাতকতা করলো সুইজারল্যান্ড !!
পরিস্থিতি এখন যা দাঁড়িয়েছে, সিওলে এনএসজি বৈঠকে ভারতের একমাত্র প্রতিপক্ষ চিন৷ যদিও সূত্রের খবর, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, আয়ারল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডও চায় না এনপিটি-তে স্বাক্ষর না করেই ভারত এনএসজি-তে প্রবেশ করুক৷ কিন্তু কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রকের তুখোড় নৈপুণ্যে আপাতত ব্রাজিলের মতো দেশকে ঠান্ডা করা গিয়েছে৷ সর্বশেষ পাওয়া খবরে, এনএসজি-তে নয়াদিল্লির প্রবেশকে স্বাগত জানিয়েছে ব্রাজিলও৷ বরং সুইজারল্যান্ড ভোলবদলে চমকে গিয়েছেন বিদেশমন্ত্রকের কর্তারাও৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুইজারল্যান্ড সফরে সময় ভারতকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছিল ইউরোপিয়ান দেশটি৷ কিন্তু এদিন হঠাৎ ভারত-বিরোধী ব্লকে যোগ দিয়ে এনএসজি-তে নয়াদিল্লিকে ঢুকতে দিতে চায় না সুইজারল্যান্ড৷ বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার বৈঠক ফের শুরু হলে চিন ফের দাবি করে, এনপিটি-তে স্বাক্ষর না করলে ভারতকে পরমাণু ক্লাবে প্রবেশ করতে দেওয়া গ্রুপের ‘নিয়মবিরুদ্ধ’ কাজ হবে৷ পাল্টা ভারতও জানিয়ে দিয়েছে, এনপিটি-তে স্বাক্ষর না করলেও ভারত এক দায়িত্ববান পরমাণু ক্ষমতাসম্পন্ন দেশ৷ বিদেশমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তিতে স্বাক্ষর ও এনএসজিতে প্রবেশের মধ্যে কোনও বিরোধ নেই৷ বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বিকাশ স্বরুপ জানিয়েছেন, গতকালের টানা তিন ঘন্টার আলোচনার পরেও চিনের বাধার প্রাচীর টপকানো যায়নি৷ এদিন ফের নতুন করে চেষ্টা শুরু হয়েছে৷ কিন্তু অন্যান্য দেশগুলির নিঃশর্ত সমর্থন পেয়ে ভারত অভিভূত- একথাও জানাতে ভোলেননি তিনি৷ ‪

Thursday, 23 June 2016

১৯৭৪ সালের দিকে মার্কিন বিমান বাহিনী বিমান হতে আইসিবিএম নিক্ষেপ করার পরীক্ষা চালায়।

১৯৭৪ সালের দিকে মার্কিন বিমান বাহিনী বিমান হতে আইসিবিএম নিক্ষেপ করার পরীক্ষা চালায়।একটি সি ৫কে ব্যবহার করা হয় ৪০টন ওজনের Minetinum আইসিবিএম নিক্ষেপ করার জন্য।প্রশান্ত মহাসাগর হতে ৬কিঃমিঃ উপর থেকে মিসাইলটিকে ছাড়া হয়।ছেড়ে দেওয়ার সাথে মিসাইল হতে প্যারাসুট বের হয় যাতে মিসাইলের পড়ার গতি কম হয়।এরপর মিসাইলটি ২.৬ কিঃমিঃ উচ্চতায় আসলে রকেট ইঞ্জিন চালু হয় উপরের দিকে উঠতে শুরু করে এবং নির্ধারিত স্থানে গিয়ে পতিত হয়।এই পরীক্ষাটি করার কারন হচ্ছে সোভিয়েতকে দেখানো মার্কিন বিমান বাহিনী বিমান হতেও আইসিবিএম নিক্ষেপ করতে পারে।

সুখোই-২৭ যুদ্ধবিমান বহরের আকাশে উড্ডয়ন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল রাশিয়ান বিমান বাহিনী

সুখোই-২৭ যুদ্ধবিমান বহরের আকাশে উড্ডয়ন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল রাশিয়ান বিমান বাহিনী। ,। বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, মস্কো অঞ্চলে বিমান প্রদর্শনীতে সুখোই যুদ্ধবিমানের মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণের সূত্র খুঁজে বের না করা পর্যন্ত এই বহরের আকাশে ওড়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বলবত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। রাশিয়ার সুখোই বহরে তিনশর বেশি বিমান রয়েছে। গত কয়েকদিন আগে মস্কো অঞ্চলে একটি সুখোই বিধ্বস্ত হয়, এক পাইলট নিহত হন। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ কমিশন এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। একটি মিশন শেষে বিমানবন্দরে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আবাসিক ভবনের ওপর বিমানকে ভূপাতিত হওয়ার হাত থেকে রক্ষার চেষ্টা করছিলেন পাইলট। শেষ পর্যন্ত তিনি আর বিমান থেকে বের হয়ে আসতে পারেন নি। রুশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টেস্ট পাইলট ম্যাগোমেদ তোলবায়োইভ বলেছেন, ফ্লাইট মনিটরিং সিস্টেমের ব্যর্থতার কারণে হয়ত এই যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। হতভাগ্য বিমানটি রাশিয়ার খ্যাতনামা বিমান অ্যাক্রোবেটিক দল ‘রাশিয়ান নাইটসের’ সদস্য ছিল। এ দল মস্কোর রেড স্কয়ারে চমকপ্রদ বিমান অ্যাক্রোবেটিক দেখায়।

১ম বিশ্ব যু‌দ্ধের সময় প্যা‌রি‌সে এক‌টি বোমা বি‌স্ফোর‌নের শব্দ লন্ড‌নে শোনা গি‌য়ে‌ছিল।

অাপনারা জে‌নে অবাক হ‌বেন যে, ১ম বিশ্ব যু‌দ্ধের সময় প্যা‌রি‌সে এক‌টি বোমা বি‌স্ফোর‌নের শব্দ লন্ড‌নে শোনা গি‌য়ে‌ছিল। উল্লেখ্য প্যা‌রিস থে‌কে লন্ড‌নের দূরত্ব ৩৪৪ কি‌লো‌মিটার।

আপনি জানেন কি

আপনি জানেন কি, বিশ্বের প্রথম সুপেরসনিক গান কিল হয় ভিয়েতনাম যুদ্ধে যখন একটি এফ-৪ ফাণ্টম একটি মিগ-১৭ কে হাই-জি টার্ন এ এক্সটারনাল গান পড দিয়ে সট ডাউন করে, এর পর থেকে এখনো দ্বিতীয় কোন গান কিল সুপারসনিক গতি তে হয় নি, প্রথম দিকের এফ-৪ গুলিতে ইন্টারনাল গান না থাকলেও পরবর্তী ভার্শন এ এক্সটারনাল গান পড যোগ করা হয়। ‪

মোদী সরকার ডিফেন্স এবং সিভিল এভিয়েশন সেক্টরে ১০০% FDI ঘোষনা করেছে


ব্রেকিং_নিউজ‬ এইমাত্র একটি বড়ো খবর এসে পৌঁছেছে। মোদী সরকার ডিফেন্স এবং সিভিল এভিয়েশন সেক্টরে ১০০% FDI ঘোষনা করেছে । এর ফলে যে কোনো বিদেশী কোম্পানি ভারতে এসে নিজেরাই কারখানা তৈরি করে সমরাস্ত্র তৈরি করতে পারবে এবার থেকে। আগে যে কোনো একটা ভারতীয় কোম্পানির সঙ্গে জোট করতে হত ফলে অনেক ঝামেলার জন্য বিদেশী কোম্পানি আসতে চাইত না । এখন থেকে সেই ঝামেলা আর রইল না ।

রাশিয়ায় বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু শক্তিচালিত আইসব্রেকার উদ্বোধন

রাশিয়ায় বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু শক্তিচালিত আইসব্রেকার উদ্বোধন রাশিয়ার সেন্ট-পিটার্সবার্গ শহরের বাল্টিক শিপইয়ার্ডে বিশ্বের বৃহত্তম পরমানু শক্তি চালিত আইসব্রেকার-আর্কটিকা’র উদ্বোধন করা গত ১৬ জুন ২০১৬। রুশ রাস্ট্রিয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটমের অর্ডারের ভিত্তিতে আইসব্রেকারটি নির্মাণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রোসাটমের প্রধান নির্বাহী সের্গেই কিরিয়েনকাসহ ঊর্ধ্বতন রুশ সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কিরিয়েনকা জনান যে ২০১৭ সাল নাগাদ আর্কটিকা রোসাটমের আইসব্রেকার বহর-রোসাটমফ্লোট-এ যুক্ত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জাতীয় প্রতিরক্ষা এবং আর্কটিক অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আইসব্রেকারটি বিশেষ ভুমিকা রাখবে। আর্কটিকা উত্তর সমুদ্র রুটে সরাবছর ধরে জাহাজ চলাচল সুবিধা নিশ্চিত করবে এবং এশীয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানী সরবরাহে সহায়তা করবে। ২০১৩ সালে আইসব্রেকারটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১৭৩.২৮ মিটার দীর্ঘ এবং ৩৪ মিটার প্রশস্থ জাহাজটি দুইটি আরআইটিএম-২০০ পারমাণবিক রিয়্যাক্টরের সাহায্যে পরিচালিত হবে। ডাবল-ড্রাফট নকশার ভিত্তিতে নির্মিত জাহাজটি আর্কটিক অঞ্চল এবং মেরুঅঞ্চলীয় নদীগুলোর মোহনায় ব্যবহার করা সম্ভব হবে। বরফ কিংবা জলতে জাহাজ টেনে নেয়া এবং উদ্ধার কার্য পরিচালনায় আইসব্রেকারটি ব্যবহার করা যাবে। আর্কটিকা ২.৯ মিটার পুরূ বরফের মধ্যদিয়ে চলাচল করতে সক্ষম। আইসব্রেকারটিতে পরমাণু শক্তি চালিত দু’টি জল বিশুদ্ধকরণ ইউনিটও থাকবে।

Su-37

♦Su-37♦
. আকাশের দানব। , Armament Guns: 1× 30 mm GSh-301 internal cannon with 150 rounds Hardpoints: 12 hardpoints, consisting of 2 wingtip rails, and 10 wing and fuselage stations with a capacity of 8,000 kg (17,630 lb) of ordnance, and provisions to carry combinations of: , Rockets: S-25L laser-guided rocket S-25 unguided rocket B-8 unguided S-8 rocket pods B-13 unguided S-13 rocket pods , Missiles: Vympel R-27R/ER/T/ET Vympel R-77 – the proposed R-77M, R-77T, K-77M Vympel R-73E/M, and R-74M Vympel R-37M 200 km[30][31] Kh-29T/L Kh-31P/A Kh-59ME , Bombs: FAB-250 250-kilogram (550 lb) unguided bombs FAB-500 500-kilogram (1,100 lb) unguided bombs KAB-500L laser-guided bomb KAB-1500 laser-guided bomb

সিওল গেলেন জয়শঙ্কর, ভারতের এনএসজি সদস্যপদের দাবি নিয়ে আলোচনায় 'গঠনমূলক' ভূমিকা পালন করবে, বলল চিন

সিওল গেলেন জয়শঙ্কর, ভারতের এনএসজি সদস্যপদের দাবি নিয়ে আলোচনায় 'গঠনমূলক' ভূমিকা পালন করবে, বলল চিন . . নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে (এনএসজি) ভারতের অন্তর্ভুক্তির দাবির ব্যাপারে নরম হচ্ছে চিন? তেমনই ইঙ্গিত চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চ্যুনিং-এর কথায়। চিন এ নিয়ে ‘গঠনমূলক’ ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। . চ্যুনিং জানিয়েছেন, ভারত ও পাকিস্তানের ৪৮ সদস্যের এলিট এনএসজি গোষ্ঠীতে ঢোকার ব্যাপারে সদস্য দেশগুলি নিজেদের মধ্যে তিন দফা ঘরোয়া আলোচনা করেছে। তিনি বলেছেন, চিন এই ইস্যুতে আরও আলোচনার ব্যাপারে আশাবাদী। আলোচনায় চিন গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে। যদিও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির মধ্যে এই ইস্যুতে এখনও মতৈক্য হয়নি, তবে এ ধরনের আলোচনা তাদের পরস্পরকে ভাল করে বুঝতে সাহায্য করবে। . একইসঙ্গে অবশ্য চিনা মুখপাত্রটি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সিওলে এনএসজি-র প্লেনারিতে ভারত, পাকিস্তানকে সদস্য করার বিষয়টি আলোচনার এজেন্ডায় নেই। তিনি বলেন, সিওল প্লেনারি বৈঠকের এজেন্ডায় নির্দিষ্ট কিছু দেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোচনার বিষয়টি রয়েছে। তবে এটা বলে রাখা ভাল, বৈঠকে শুধু পরমাণু প্রসার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-তে সই করা দেশগুলির প্রবেশ নিয়েই কথা হবে। এনপিটি-তে সই না করা দেশগুলির ঢোকার বিষয়টি কখনই আলোচনার এজেন্ডায় রাখা হয়নি। এই অবস্থানের ভিত্তিতে বলতে পারি, এ বছরের সিওল প্লেনারি বৈঠকের যে বিষয়সূচি রাখা হয়েছে, তাতে এই ইস্যুটি নেই। . তিনি এও বলেন, এনএসজি কখনই এনপিটি-বর্হিভূতদেশের অন্তর্ভুক্তির আবেদন আলোচনার এজেন্ডায় রাখেনি। ফলে আলোচনায় বাধা দেওয়া হচ্ছে, এ কথা বলারও কোনও মানে হয় না। . ঘটনা হল, চিনা বিদেশমন্ত্রক বারবার সুর বদলাচ্ছে। একবার বলছে, তারা ভারত না পাকিস্তান, এমন ভাবে কোনও দেশকে নিশানা করেনি। কিন্তু একইসঙ্গে এনপিটি-তে সই না করা দেশকে এনএসজি-তে নেওয়া যাবে না-এহেন নীতির উল্লেখ করে ভারতের সদস্যপদের দাবি সমর্থন করায় খোঁচা দিচ্ছে আমেরিকাকে। গতকাল চিন বলে, ভারতের দাবির ইস্যুটি নিয়ে আলোচনার দরজা খোলা রয়েছে। কিন্তু তারপরই পরমাণু প্রসার রোধে অতুলনীয় ভূমিকা পালন করা ভারতকে পাকিস্তানের সঙ্গে একাসনে বসানোর চেষ্টা করে। . এদিকে সিওলে এনএসজি-র প্লেনারি বৈঠকের প্রাক্কালে ভারতের দাবি জোরদার ভাবে তুলে ধরতে আজই দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী গেলেন বিদেশ সচিব এস জয়শঙ্কর। তিনি সেখানে গত সোমবার শুরু হওয়া এনএসজি-র সরকারি স্তরের বৈঠকের গতিপ্রকৃতির ওপর নজর রাখছিলেন। এবার সদস্য দেশগুলির কাছে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করে এনএসজি-র সদস্যপদের দাবিতে চূড়ান্ত চাপ সৃষ্টি করতেই সেখানে গেলেন তিনি। . . সুত্র : ABP আনন্দ

M2 HMG

                                                                এম২ হেভি মেশিন গানঃ-
আপনি কি বুলেট ফ্রুপ গাড়ির ভিতরে আছেন ? বা কোন পাকা বাড়ি ? আপনি কি ভাবছেন আপনি সুরক্ষিত ?যদি ভেবে থাকেন তাহলে আবার ভাবুন ! কারন ১২.৭x৯৯ মি.মি. এর ১২০০ টি বুলেট মাত্র ১ মিনিটে আপনার গাড়ি বা বাড়ির দেয়াল ভেদ করে প্রথমে আপনার শরীরে ঢুকবে তারপর আবার আপনার গাড়ি বা বাড়ির দেয়াল ভেদ করে বের হয়ে যাবে !আর হ্যাঁ আপনার গাড়ি বা বাড়ির যদি ভাগ্য ভালো হয় তাহলে তারা উপরে চলে যাবেআপনি কি অনেক দূরে আছেন ?ভাবছেন আপনি নিরাপদ ? তাহলে আপনি আবারও ভাবুন..... খুশি হবার কোন কারন নেই আপনি যদি ৬.৮০০ কিলোমিটার এর মধ্যে থাকেন তাহলে এম২ ৫০ ক্যালিবারের হেভি মেশিন গানের গুলি গ্রহণ করে ধন্য হতে তৈরি থাকুন ...হ্যাঁ এম২ ! এম২ হচ্ছে ৫০ ক্যালিবারের হেভি মেশিন গান। এটি তৈরি করেছে আমেরিকা ।১৯৩৩ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত এটি প্রায় ২১ টি যুদ্ধে ব্যাবহার হয়েছে এবং হচ্ছে ।এটির ডিজাইন করা হয় ১৯১৮ সালে এবং তৈরি করা হয় ১৯২১ সালে।আপনি যদি এটি হাতে রেখে চালাতে চান তাহলে আপনি পিছনের দিকে ডানা ছাড়াই উড়তে পারবেন অবশ্য আপনি যদি এটি তুলতে পারেন । এই হেভি মেশিন গানটির ওজন ৩৮ কেজি আর ! তাই আপনি এটা ট্রাইপডের উপর রেখেই চালাতে হবে ।আর ট্রাইপড সহওজন ৫৮ কেজি! এর মাজল ভ্যালোচিটি প্রতি সেকেন্ডে ২৯১০ ফিট !এম২ হেভি মেশিন গানের ইফেক্টিভ রেঞ্জ ১৮০০ মিটার (১.৮০০ কি.মি.)! এবং ম্যাক্সিমাম রেঞ্জ ৬৮০০ মিটার (৬.৮০০ কি.মি.) !!! আর হ্যাঁ এটি শর্ট রিকয়েল অপারেটেড । এর বিভিন্ন ভার্সন রয়েছে যেমন এম২ এইচ বি, এ এন/এম২, এন/এম৩ ।

Wednesday, 22 June 2016

আজ ভারতীয় স্পেস এজেন্সি ইসরো এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

আজ ভারতীয় স্পেস এজেন্সি ইসরো এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। ৩টি ভারতীয় স্যাটেলাইট ও ১৭টি বিদেশী স্যাটেলাইট মিলিয়ে মোট ২০টি স্যাটেলাইট একসাথে পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চিং ভাইকল-সি ৩৪ এর মাধ্যমে মহাকাশে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে। আসুন জেনে নি ২০টি স্যাটেলাইট গুলো কোন কোন দেশের ও কি তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য : . ১. LAPAN-A3 (Indonesia): এটি একটি মাইক্রো স্যাটেলাইট যা পৃথিবীর পর্যবেক্ষণ, আবহাওয়া ও ল্যান্ড ম্যাপিং এবং প্রাকৃতিক সম্পদ খুঁজে বার করতে সহায়তা দান করবে। . ২. M3MSat (Canada): কানাডার ডিফেন্স রিসার্চ ও ডেভাল্পমেন্ট এবং কানাডা স্পেস এজেন্সির যৌথভাবে বানানো এই মাইক্রো স্যাটেলাইট টি প্রধানত, লো আর্থ ওরবিট থেকে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করবে। . ৩. GHGSat-D (Canada): ইউনিভার্সিটি অফ টরেন্টো ইন্সটিটিউট অফ এরোস্পেস স্টাডি এর প্রস্তুত করা এই স্যাটেলাইট টি পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে বেড়ে চলা গ্রিন হাইজ গ্যাসের তথ্য সংগ্রহ করবে। . ৪. BIROS (Germany): বার্লিন ইনফারেড অপ্টিকাল সিস্টেম বা BIROS স্যাটেলাইট টি প্রস্তুত করেছে জার্মান এরোস্পেস সেন্টার। এই স্যাটেলাইট টির প্রধান কাজ হলো, পৃথিবীর উষ্ণায়নের সর্বোক্ষন পরিমাপ করা। . ৫. SkySat Gen2-1 (U.S.): ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত গুগুল কোম্পানির শাখা Terra Bella এর প্রস্তুত করা এই ছোট আর্থ ইমাজিন স্যাটেলাইট টির কাজ হলো হাই রেজুলেশান ক্যামেরার মাধ্যমে পৃথিবী বিভিন্ন জায়গার ছবি ও এইডি ভিডিও তোলা। . ৬. Dove Satellites (U.S.): আজ মোট ১২টি Flock-2P আর্থ ইমেজিং স্যাটেলাইট ইসরো উৎক্ষেপণ করেছে। এই ধরনের স্যাটেলাইট গুলো পৃথিবীর বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হবে। . ৭. Sathyabamasat(India) : ভারতের চেন্নাই তে অবস্থিত সত্যভামা ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছাত্রী দের বানানো এই স্যাটেলাইট টি বায়ুমণ্ডলের গ্রীন হাউজ গ্যাসের তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার হবে। . ৮. SwayamSat (India) : পুনেতে অবস্থিত কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ানিং এর ছাত্রদের প্রস্তুত করা এই স্যাটেলাইট টির প্রধান কাজ হলো, রেডিও কমিউনিকেশান ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করা। . ৯. Cartosat-2(India) : Cartosat-2 সিরিজের স্যাটেলাইট টিই আজ ইসরোর উৎক্ষেপণ করা সবথেকে ভারী স্যাটেলাইট। এই স্যাটেলাইট টির প্রধান কাজ কোস্টাল এরিয়ার পর্যবেক্ষণ, রোড ম্যাপিং, ওয়াটার ডিস্টিবিউসান, ব্যবহৃত ভুমির নকশা নির্মান ইত্যাদি হলেও এটি একটি নজরদারি চালানোর স্যটেলাইট বা সার্ভাইলেন্সি স্যাটেলাইট। এবার থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা বিভাগ বিদেশী শত্রুসেনার উপর গোপনে এবং নির্ভুলভাবে নজরদারি চালাতে পারবে৷ এটির নজরদারির ক্ষমতা এতটাই বেশি যে মহাকাশ থেকে ভূপৃষ্ঠের কোন একজন ব্যাক্তিরও প্রতিটি পদক্ষেপ নজরদারি করা যাবে অর্থাৎ মূলত সামরিক উদ্দেশ্যেই এই স্যটেলাইট ব্যবহার করা হবে।

Tuesday, 21 June 2016

ভারতের এক নতুন লং রেঞ্জ স্যাম আশ্বিন।


আজ আপনাদের এক নতুন জিনিসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব। ভারতের এক নতুন লং রেঞ্জ স্যাম আশ্বিন। এক নতুন প্রজেক্ট নেওয়া হয়েছে ডিআরডিও এর অধীনে। আশ্বিন হল আসলে Advanced Air Defence interceptor missile। যা আসলে ভারতের বিএমডি বা ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স বা বিএমডি এর endo atmosphere air defence missile। অশ্বিন স্যাম এএডি মিসাইলের নতুম ভার্সান এই মিসাইল কতটা আধুনিক হবে তা আপনাদের কাছে তুলে ধরবো। ৭৳৳৳৫মিঃ লম্বা ১৳৳৳২টন ওজনের মিসাইল টি কঠিন জ্বালানি দ্বারা পূর্ন। ফলে এর মেন্টেন্স অনেক সুবিধাজনক। অশ্বিন স্যামে থাকছে hi-tech computer, a navigation system ও electro-mechanical activator। অর্থাৎ এটি বিমান ও ব্যালিস্টিক মিসাইলকে তো ধ্বংস করবেই সাথে এর কাছে কোনো স্টেলথ বিমান ই স্টেলথ থাকবে না। ক্রুজ মিসাইল থেকে শুরু করে যেকোনো স্টেলথ বিমান ই এর থেকে নিরাপদ নয়। এই মিসাইলের গতী ম্যাক ৫ থেকে ম্যাক ৭ অর্থাৎ হাইপারসনিক। রেঞ্জ সর্বোচ্চ ২০০কিমি। যদিও প্রকৃত রেঞ্জ অনেক বেশি। এটি ভারতের আকাশ স্যামের থেকে প্রায় ১০০গুন আধুনিক। ম্যানুয়েভারেবিলিটির হিসাব দিলে আপনি বুঝতে পারবেন। ভারতের তেজস যুদ্ধবিমানের এক বিশেষত্ব হল গতী বাড়লে একে আটকানো কঠিন। যদি আপনি তেজসের সাথে ডগফাইটে আসেন ম্যাক ০৳৳৳৮ অব্ধি ঠিকাছে কিন্তু যদি তা ম্যাক ১+ হয় অনুরোধ করবো ফিরে আসুন তখন জেতা ততটা সোজা হবে না। কারন তেজস তখন তার ম্যনুয়েভারেবিলিটি ৮জি লিমিট অব্ধি তুলতে সক্ষম যেটা তুলতে অনেক বিমানকে হিমসিম খেতে হয়। আশাকরি এর মাধ্যমে জি লিমিটের একটি ধারনা আপনাদের দিতে পারলাম। এবার আসি আসল কথায়। অশ্বিন স্যামের ম্যনুয়েভারেবিলিটি কত জানেন? ২৫G থেকে ৩০G। এবার ভাবুন এটা কি করতে পারে। এবার আসি অন্য কথায়। যদি আকাশ স্যামের সাথে তুলনা করি তালে কিরকম পরিবর্তন পাবো? আকাশ স্যামের এক বড় সমস্যা হল এটি ১০০শতাংশ রেডার গাইডেড স্যাম। যা সত্যি এক সমস্যা কারন যদি আপনি ফায়ার কন্ট্রোল রেডার টি জ্যাম বা ধ্বংস করে দেন তালে অকেজ হয়ে যাবে পুরো সিস্টেম। সেই সমস্যা থাকবে না নতুন স্যামে। কারন নতুন স্যামে থাকছে Active radar homing ও ইন্টার্নাল নেভিগেশান সিস্টেম। অর্থাৎ টার্গেটের দিকে মিসাইল লঞ্চ হলে তা নিজে নিজেই গাইডেন্স পাবে। যা ভারতের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এক নব যুগের সূচনা করবে। আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রে ছিল ৬০কেজি বিষ্ফরক ওয়ারহেড। যেটি থাকছে না আশ্বিনে। বদলে থাকবে “নেটিক কিল” পদ্ধতি। অর্থাৎ ব্যাপক গতীতে আঘাত হানার মাধ্যমে ধ্বংস হবে টার্গেট। এই পদ্ধতিতেই বর্তমানে সমস্ত স্যাম যেমন এস-৪০০ বা থাড কে তৈরি করা হয়েছে। আকাশ স্যামে কোনো ক্যানিস্টার ছিল না। ফলে অনেক বেশি গ্রাউন্ড সিগনেচর ছিল যা শত্রুপক্ষের আক্রমণের অনুকূল ছিল কিন্তু আশ্বিন স্যাম কে প্রাহার ক্ষেপণাস্ত্রের ক্যানিস্টার ব্যাবহার করবে। এক লঞ্চারে ৬টি মিসাইল থাকবে ও একটি ব্যেটারিতে ৩০টি মিসাইল রেডি টু লঞ্চ মুডে থাকবে ও রি-লোডের জন্য আলাদা মিসাইল থাকবে। এস-৪০০ বা ৩০০ এর মত এটি ভূমির সাথে ৯০ ডিগ্রী কোনে উৎক্ষপন করা হবে। পরে মিসাইল টার্গেটের দিকে বেকে যাবে। রেডার হিসাবে এতে LRTR ব্যাবহার করা হবে যা ১৫০০কিমি ট্রাকিং রেঞ্জ থাকবে। পরিশেষে বলা যায় চীনের এইচকিউ-০৯ এর চেয়ে অনেক আধুনিক হবে এটি। এছাড়া আরও অনেক স্যামের সাথে একে তুলনা করা যায় যেগুলোর নাম এখন আমি তুলে ধরতে চাইছি না। আশা করি আপনাদের কাছে বিষয় টি তুলে ধরতে পারলাম। জয় হিন্দ। ।

বুধবার ইতিহাস গড়বে ইসরো, মহাকাশে যাবে ২০টি উপগ্রহ

                              ****বুধবার ইতিহাস গড়বে ইসরো, মহাকাশে যাবে ২০টি উপগ্রহ ****
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা৷ তারপরই ইতিহাস সৃষ্টি করবে ইসরো৷ একই সঙ্গে ২০টি স্যাটেলাইট যাত্রা করবে মহাকাশের উদ্দেশ্যে৷ অন্ধ্রপ্রদেশের সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে বুধবার সকাল ৯.২৬ মিনিটে উৎক্ষেপণ হবে উপগ্রহগুলির৷ ১৯টি উপগ্রহ সমেত এই PSLV-C34-র ওজন হবে মোট ১,২৮৮ কিলোগ্রাম৷ পুরো মিশন সম্পূর্ণ হতে মাত্র ২৬ মিনিট সময় লাগবে বলে দাবি ভারতীয় বিজ্ঞানীদের৷ উপগ্রহগুলির মধ্যে তিনটি তৈরি এদেশেই৷ তার মধ্যে দুটি তৈরি করেছেন দেশের দুই ছাত্র৷ বাকিগুলো আনা হয়েছে কানাডা, জার্মানির মতো বিভিন্ন দেশ থেকে৷ এগুলির মধ্যে কার্টোসাট উপগ্রহটি শহর, শহরতলি, গ্রাম ও উপকূল এলাকার ভূমি ও জল বন্টনের সার্বিক চিত্র তুলে ধরবে৷ সত্যভামা বিশ্ববিদ্যালয়েরতৈরি ‘সত্যভামাস্যাট’উপগ্রহটি গ্রিন হাউস গ্যাসের তথ্য সংগ্রহ করবে৷ হ্যাম রেডিও সিগন্যাল দেবে পুনের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তৈরি স্বয়ম স্যাটেলাইট৷ মহাকাশবিদ্যায় ভারতের অগ্রগতিতে একের পর এক সাফল্যে পৌঁছেছে ইসরো৷ উৎক্ষেপণের এই নতুন রেকর্ড নিঃসন্দেহে সেই অগ্রগতিতে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে৷

Monday, 20 June 2016

Barguzing


১৯৮৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন সামরিক বাহিনী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা স্যাটালাইটের নজরদারী এড়াবার জন্য তাদের নিজস্ব কৌশলগত পারমানবিক অস্ত্র সমৃদ্ধ আন্তঃ মহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) উৎক্ষেপনে সাইলো বেসড ভূমি, মোবাইল লাউঞ্চার সিস্টেম ও সাবমেরিনের পাশাপাশি তাদের সুদীর্ঘ প্রায় ৮০০০০ কিলোমিটারেরও বেশি ট্রান্স সাইবেরিয়ান রেলপথের সুবিধাকে কাজে লাগাতে সভিয়েত সরকার অত্যান্ত গোপনে নুক ট্রেন নামে একটি মহা প্রকল্প গ্রহণ করে। মুলত নুক ট্রেন প্রকল্পের আওতায় ১২টি রেলের প্রতিটিতে তিনটি করে ১০০০০ কিলোমিটার পাল্লার টি-২৩ (এসএস-24) আন্তঃ মহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম), সেলফ প্রোটেকশন গান এবং শক্তিশালী রাডার সিস্টেম স্থাপন করা হয়। এছাড়া নুক ট্রেনের প্রতিটি আইসিবিএম কে যে কোন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হাই কমান্ডের নির্দেশে কয়েক মিনিটের মধ্যেই নিদিষ্ট লক্ষবস্তুতে অঘাত করার জন্য উতক্ষেপণের উপযোগী করে বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল। আসলে স্নায়ু যুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ার শেষে পরবর্তীতে ২০০৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে রাশিয়া পারমানবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরন স্ট্রাট-2 চুক্তির আওতায় রাশিয়ার পুতিন সরকার সকল ধরণের ট্রেন বেসড (নুকট্রেন) আন্তঃ মহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপনের ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। কিন্তু সাম্প্রিতিক সময়ে ইউক্রেন সংকট ও মধ্যপ্রাচ্যের জঙ্গি দমন এবং আসাদ সরকার নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে রাশিয়া এক ধরণের নতুন করে ঠান্ডা যুদ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে। যার পেক্ষাপটে রাশিয়া ভবিষ্যতে যে কোন ধরণের পারমানবিক যূদ্ধের হুমকি মোকাবেলায় এবং পরিবর্তনশীল অস্থিতিশীল অবস্থার পেক্ষাপটে নতুন করে "Barguzing" ট্রেন নামে রেলওয়ে ভিত্তিক আইসিবিএম সজ্জিত অত্যাধুনিক রেল ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে যা নিশ্চিতভাবেই ভূমি বা সাবমেরিন থেকে আন্তঃ মহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সমতুল্য। মুলত নতুন এই রেলগুলো প্রতিদিন গড়ে ১০০০ কিলোমিটারের দীর্ঘ পথ বিরামহীনভাবে অতিক্রম করে সারা দেশব্যাপী যে কোন সুবিধাজনক ও নিরাপদ স্থানে স্থাপন করা ও হাইকমান্ডের নিদের্শনা মোতাবেক এক মিনিটের মধ্যে সুনিদিষ্ট লক্ষবস্তুতে আঘাত করার জন্য উৎক্ষেপনের উপযোগী করে বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিটি এ জাতীয় ট্রেনে ৬টি করে টি-২৩ আন্তঃ মহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) স্থাপন করা হবে। এখানে প্রকাশ থাকে যে, ১০০০০ কিলোমিটার পাল্লার প্রতিটি টি-২৩ বা এসএস-২৪ আন্তঃ মহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দশটি করে পারমাণবিক ওভারহেড বহণ করতে সক্ষম এবঽ তা ভিন্ন ভিন্ন একাধিক লক্ষবস্তুতে অত্যান্ত নিখুতভাবে আঘাত করার উপযোগী হবে বলে মত প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে "Barguzing” রেলগুলোকে সম্পুর্নভাবে স্টিলথ টেকনোলজি এবং ইলেকট্রনিকন্স ওয়ারফার সমৃদ্ধ করে তৈরি করা হবে এবং পাশাপাশি অত্যাধুনিক রাডার সিস্টেম সহ নিজস্ব শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া বারগুনিং ট্রেনে শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে খুব সম্ভবত এস-৪০০ সারফেস টু এয়ার মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম সংযোজন করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে রাশিয়া আগামী আট থেকে দশ বছরের মধ্যে কমপক্ষে ছয় রেজিমেন্ট এ জাতীয় রেল ব্যবস্থা সমগ্র ট্রান্স সাইবেরিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কে অন্তভুক্ত করতে বদ্ধপরিকর।

রাশিয়ার ফ্ল্যাঙ্কার পরিবার কিছুটা দেরিতে হলেও প্রমাণ করতে পেরেছে যে যুদ্ধবিমান তৈরিতে তারাই সেরা।

রাশিয়ার ফ্ল্যাঙ্কার পরিবার কিছুটা দেরিতে হলেও প্রমাণ করতে পেরেছে যে যুদ্ধবিমান তৈরিতে তারাই সেরা। ১৯৮৫ সাল থেকে তারা এসইউ-২৭ বিমান তৈরি দিয়ে শুরু করেছিল। এরপর থেকে তারা এসইউ-৩০, এসইউ-৩৪ এবং এসইউ-৩৫ তৈরি করে। তৎকালীন সময়ে অনেকেই রাশিয়ার এই বিমানগুলো সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন যে, এগুলো সবই এফ-১৫, এফ/এ-১৮ হরনেট এবং ইউরোফাইটার টাইফুনের আদলে তৈরি করা। কিন্তু অত্যাধুনিক সুখয় যুদ্ধবিমানগুলো এক কথায় মার্কিন বৈমানিকদের মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। নিখুঁত লক্ষ্যভেদের বাইরেও এসইউ-৩৪ সিরিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে। অনেক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞের কল্পনাও ছিল না যে, রাশিয়ার যুদ্ধবিমান এমন ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে।

রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের বিমান হল সুখয় টি-৫০।

রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের বিমান হল সুখয় টি-৫০। এফ-৩৫ স্টিলথ বিমানকে এযাবৎ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ধরা হলেও, টি-৫০ বিমান তৈরির পর সবাইকে মানতে বাধ্য হতে হয়েছে যে, এই বিমানটি যুদ্ধক্ষেত্রে বহুমুখী কাজের জন্য সেরা। একদিকে শত্রুর অবস্থান নিখুঁত নিরুপন থেকে শুরু করে সবচেয়ে নিচু অবস্থানে নেমে শত্রুর ঘাঁটিতে নিখুঁত আক্রমন চালানোর জন্য ইতিমধ্যেই বিখ্যাত হয়েছে সু- সিরিজ এর বিমানগুলো। সিরিয়ার আকাশে এই বিমান অভিযান শুরু হলে পশ্চিমের বিমানবাহিনীগুলোস্রেফ নিশ্চুপ হয়ে যায়। অন্যান্য স্টিলথ বিমানের তুলনায় এই বিমানের সেন্সর অনেক নিখুঁত এবং শত্রু পক্ষের রাডার খুব সহজেই ফাঁকি দিয়ে আক্রমন চালাতে পারদর্শী। তবে, রাশিয়ার বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয় যে তারা এই বিমানটি মূলত অতিমাত্রার গতির কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনী পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রশান্ত মহাসাগরে দু’টি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে।

মার্কিন নৌবাহিনী পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রশান্ত মহাসাগরে দু’টি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে। বিতর্কিত দক্ষিণ চিন সাগরের ওপর বেজিং’এর দাবিকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক আদালতের রুলিং দেওয়ার আগে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখন এই দুই বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করা হল। মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস রোনাল্ড রিগ্যান ও ইউএসএস জন সি স্টিনিস এবং তাদের সঙ্গের যুদ্ধজাহাজগুলো ফিলিপাইন সাগরে বিমান প্রতিরক্ষা এবং নজরদারি মহড়া চালিয়েছে। মহড়ায় ১২ হাজার নৌসেনা, ১৪০টি বিমান এবং ছয়টি ছোট যুদ্ধজাহাজ অংশ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই মহড়া চালানো হয়েছে। যাতে দু’টো স্ট্রাইক গ্রুপ অংশ নিয়েছে। উভয় গ্রুপেই বিমানবাহী জাহাজ মোতায়েন করা হয়। একাধিক বিমানবাহী রণতরী নিয়ে গঠিত স্ট্রাইক গ্রুপের কাছাকাছি থেকে অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে আমেরিকার সক্ষমতা এতে ফুটে উঠেছে বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড। বিতর্কিত দক্ষিণ চিন সাগরের ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে বেজিং এবং ম্যানিলার বিরোধের বিষয়ে হেগের রাষ্ট্রসঙ্ঘ আদালত যখন শিগগিরই রায় দেবে বলে মনে করা হচ্ছে তখন ওই এলাকায় শক্তি প্রদর্শন করল আমেরিকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, এই মহড়ার মাধ্যমে আমেরিকা যে বার্তা দিয়েছে তা অত্যন্ত পরিষ্কার এবং এ মহড়া এ সময়ে চালানোর বিষয়টিও ইচ্ছা করেই ঠিক করা হয়েছে। সূত্র : কলকাতা 24 *7

এক তরুণ জার্মান বৈমানিক আইন অমান্য করে সোভিয়েত আকাশসীমায় ঢুকে পরেন।

আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে কোল্ড ওয়ারের সময় Mathias Rust নামের এক তরুণ জার্মান বৈমানিক আইন অমান্য করে সোভিয়েত আকাশসীমায় ঢুকে পরেন। এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে তোয়াক্কা না করে সে তার সিঙ্গেল ইঞ্জিন বিশিষ্ট সেসনা-১৭৭ নিয়ে রেড স্কায়ায় এ ল্যান্ড করে। তার লক্ষ্য ছিল সোভিয়েত এবং আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা নিরসন করা। BBC কে Mathias Rust বলেন " আমি দুই দেশের মধ্যে চলমান পরিস্থিতির উপসংহার টানতে এসেছি। আমি মনে করি আমার বিমানটি পশ্চিম ও পূর্বের মধ্যে একটি কাল্পনিক সেতু তৈরি করবে।" তবে তার এই দুঃসাহসীকতার মূল্য তাকে দিতে হয়েছে।